প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রুমি আহমেদ: অক্সিজেন লেভেল ৯৪ শতাংশের নিচে না নামলে বা শ্বাসকষ্ট না হলে কোনো টেস্ট, কোনো ওষুধের দরকার নেই  

রুমি আহমেদ: আমি আশা করছিলাম রিসেন্ট বেটা ভ্যারিয়েন্ট ওয়েভের সুবাদে অন্তত ঢাকা মহানগরী এলাকা ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট তৃতীয় ওয়েভ থেকে কিছুটা প্রটেক্টেড থাকবে। কিন্তু গত সাতদিনে পনেরো-বিশজন নতুন সনাক্ত হওয়া কোভিড রোগীর সঙ্গে কথা বলে মনে হলো ঢাকাতেও বেশ জোরে শোরে তৃতীয় ওয়েভের ধাক্কা লেগেছে। কোনো সন্দেহ নেই যে এটা ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ওয়েভ!

আমার এনেকডট অনুযায়ী বাংলাদেশে এই ওয়েভটা আমার মনে হচ্ছে একটু ভিন্ন আচরণ করছে অন্যান্য ভ্যারিয়েন্ট ও অঞ্চলের চেয়ে। সিমটম শুরু হচ্ছে জ্বর আর সর্দির ভাবসহ। গায়ে গায়ে লো গ্রেড জ্বর মূলত ৩৭-৩৮ এর মাঝেই থাকে। নাক দিয়ে পানি পড়ছে অনেকের, শুকনো কাশি আছে অনেকের। একটা টিপিকাল কোভিড সিম্পটম যা আমরা আগের ভ্যারিয়েন্টগুলোতে দেখেছি- নাকের গন্ধ শোঁকার ক্ষমতা চলে যাওয়া, তা এই ভ্যারিয়েন্টে সংক্রান্ত সবার মধ্যে দেখা যাচ্ছে না। ভ্যাকসিন মাইল্ড ডিজিজ প্রিভেন্ট করতে পারছে না অনেক ক্ষেত্রেই। অনেক ক্ষেত্রেই- ইনফরমাল কন্টাক্ট ট্রেসিং করে ধারণা করা হচ্ছে- ভাইরাসগুলো বাড়িতে আসছে কাজের লোকের মাধ্যমে।

কাজের লোকেরা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের সবচেয়ে অপরিহার্য অঙ্গ, তাদের ছাড়া আমরা একদিনও থাকতে পারবো না। তাদের ও জীবিকা দরকার। তবে একটা কম্প্রোমাইজ করা যায়, তাদের সারাক্ষণ ডাবল মাস্ক পরতে উৎসাহিত করা এবং তাদের থেকে ছয়ফুট দূরত্ব মেইনটেইন করা সংক্রমণ রোধে সহায়তা করবে। আর বাড়ির দরজা জানালাগুলো খোলা রেখে ক্রস ভেন্টিলেশন নিশ্চিত করতে পারলে এয়ারবর্ন সংক্রমণের চান্স কমে যায়। আর অক্সিজেন লেভেল ৯৪ শতাংশের নিচে না নামলে বা শ^াসকষ্ট না হলে কোনো টেস্ট- কোনো ওষুধের দরকার নেই। জ্বরের জন্য প্যারাসিটামল হলেই হবে। কাশির জন্য বুডেসোনাইড ইনহেলার ব্যবহার করা যেতে পারে চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে। জ্বর না কমলে বা বাড়তে থাকলে বা অক্সিজেন লেভেল ৯৪ শতাংশের নিচে নেমে গেলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন। লেখক : জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত