প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] গ্রামে গ্রামে করোনা রোগী, সংক্রমণ ৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ২৯ শতাংশে

মিনহাজুল আবেদীন: [২] গত বছর জুন মাসে করোনা শনাক্ত হয়েছিলো ৯৮ হাজার ৩৩০ জনের আর ২০২১ সালে এসে শনাক্তের হার দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১২ হাজার ৭১৮ জন। আর বিভাগওয়ারি করোনার সর্বোচ্চ হার বরিশালে এবং সর্বনিম্ন রাজশাহীতে। ডিবিসি টিভি

[৩] বছরের শুরুতে নতুন করে করোনার সংক্রমণ বাড়তে শুরু করলেও কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে তা ভালোই সামাল দেয়া গিয়েছিলো। কিন্তু গণটিকাদান কর্মসূচি শুরু করে বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার পর মে মাসের শুরুতে সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে করোনার সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে। পয়লা জুন শনাক্তের হার ছিলো ৯.৬৭ শতাংশ, মাস শেষে তা দাঁড়ায় ২৫.১৩ শতাংশে। জুলাইয়ের প্রথম পাঁচ দিনেও শনাক্তের হার একইভাবে বেড়ে চলছে।

[৪] স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১ জুলাই ৩২ হাজার ৫৫ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৮ হাজার ৩০১ জনের করোনা শনাক্ত হয়। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় করোনা শনাক্তের হার ২৫.৯০ শতাংশ। পরদিন ২ জুলাই ৩০ হাজার ১২ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৮ হাজার ৪৮৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়। পরীক্ষা বিবেচনায় করোনা শনাক্তের হার ২৮.২৭ শতাংশ। ৩ জুলাই ২২ হাজার ৬৮৭ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৬ হাজার ২১৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় করোনা শনাক্তের হার ২৭.৩৯ শতাংশ। ৪ জুলাই ২৯ হাজার ৮৭৯ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৮ হাজার ৬৬১ জনের করোনা শনাক্ত হয়। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় করোনা শনাক্তের হার ২৮.৯৯ শতাংশ। আর ৫ জুলাই ৩৪ হাজার ২ জনের নমুনা পরীক্ষায় ৯ হাজার ৯৬৪ জনের করোনা শনাক্ত হয়। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় করোনা শনাক্তের হার ২৯.৩০ শতাংশ।

[৫] এদিকে বিভাগওয়ারি শনাক্তের হারে দেখা যাচ্ছে বরিশাল এখন সংক্রমণের শীর্ষে অবস্থান করছে। আর সবচেয়ে কম রাজশাহীতে। বিভাগওয়ারি সংক্রমণের দিক থেকে ঢাকায় সংক্রমণের হার ২৫.৭৭ শতাংশ, চট্টগ্রামে ২৭.৫২ শতাংশ, রাজশাহীতে ২৪.৯৫ শতাংশ, বরিশালে ৩৭.৯১ শতাংশ, সিলেটে ৩২.৯৩ শতাংশ, খুলনায় ৩৪.৯৪ শতাংশ, রংপুরে ৩২.৯৬ শতাংশ এবং ময়মনসিংহে ২৬.৬১ শতাংশ।

[৬] বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অন্তত ১৪ দিন কঠোর বিধিনিষেধ বাস্তবায়ন করা গেলেই এর কাঙ্খিত ফল পাওয়া যাবে। সম্পাদনা: রাশিদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত