প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] অবশেষে করোনা ডেডিকেটেড হচ্ছে ‘রাজশাহী সদর হাসপাতাল’

ইফতেখায়ের আলম: [২] এরই মধ্যে করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতাল হিসেবে রাজশাহী সদর হাসপাতালকে প্রশাসনিক অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে বাজেটও চলে এসেছে।

[৩] ফলে সব জল্পনা-কল্পনা শেষে শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে দীর্ঘদিন বন্ধ হয়ে পড়ে থাকা রাজশাহীর সবচেয়ে পুরোনো এই সদর হাসপাতাল। সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে রোববার রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

[৪] তিনি বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে ১৫টি আইসিইউ বেডের সুবিধা নিয়ে করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতাল হিসেবে রাজশাহী সদর হাসপাতাল চালু হতে যাচ্ছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতির পর বাজেটও চলে এসেছে। প্রাথমিকভাবে হাসপাতালটি চালু করতে ব্যয় ধরা হয়েছে আড়াই কোটি টাকা। ১৫০ শয্যার এই হাসপাতালটিতে করোনা রোগীদের জন্য থাকবে সেন্ট্রাল অক্সিজেনের ব্যবস্থা।

[৫] রামেক হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী আরও জানান, হাসপাতালের অধীনেই এটি পরিচালিত হবে। বর্তমানে পিডব্লিউডির অধীনে রাজশাহী সদর হাসপাতালের অবকাঠামো সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। এই কাজ শেষ হলেই হাসপাতালটি করোনা চিকিৎসার ডেডিকেটেড হাসপাতাল হিসেবে ব্যবহৃত হবে।

[৬] বর্তমানে করোনার সংক্রমণের চূড়ায় রয়েছে রাজশাহী। প্রতিদিনই গড়ে প্রায় পৌনে ৫শ’ রোগী ভর্তি থাকছে রামেক হাসপাতালে। তাদের চিকিৎসা দিতে চিকিৎসক, নার্স ও হাসপাতাল কর্মীদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। এছাড়া করোনা রোগীদের চিকিৎসা ব্যবস্থা চালু হওয়ায় রামেক হাসপাতালে সেবা নিতে আসা সাধারণ রোগীরাও দুর্ভোগে পড়ছেন।

[৭] এক এক করে রামেক হাসপাতালের ১৩টি ওয়ার্ড করোনা ইউনিটে সংযুক্ত করা হয়েছে। আরও একটি (৪নং ওয়ার্ড) ওয়ার্ড সংযুক্তির কাজ চলমান রয়েছে। এরপরে এই হাসপাতলে আর করোনা ওয়ার্ড বাড়ানো সম্ভব নয়। এই অবস্থায় রাজশাহী সদর হাসপাতাল করোনা চিকিৎসার জন্য ডেডিকেটেড হাসপাতাল হিসেবে চালু হলে তা করোনা রোগীদের জন্য আরও অনেক সহায়ক হবে বলেও উল্লেখ করেন রামেক হাসপাতালের পরিচালক।

[৮] এদিকে, গত বছর করোনার প্রথম ঢেউ শুরু হলে রাজশাহী ক্রিশ্চিয়ান মিশন হাসপাতালকে করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

[৯] পরে গত বছরের সেপ্টেম্বরে রাজশাহীর একমাত্র বিশেষায়িত হাসপাতালটি করোনার প্রকোপ কমে যাওয়ার কথা বলে বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। চুক্তি অনুযায়ী এই হাসপাতাল করোনা সংক্রমিতদের চিকিৎসা দিতো। খরচ বহন করতো সরকার।

[১০] সেই চুক্তি অনুযায়ী ক্রিশ্চিয়ান মিশন হাসপাতালটির সঙ্গে মাসিক ১২ লাখ টাকা ভাড়ায় চুক্তি করেছিল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত