প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ইউনিস খানকে সরাতে কলকাঠি নেড়েছিলেন শহীদ আফ্রিদি

স্পোর্টস ডেস্ক : [২] চাপের মুখে ২০০৯ সালে অধিনায়কত্ব হারিয়েছিলেন পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার ইউনিস খান। আর হঠাৎ করেই ২০১৬ সালে ওয়ানডে ক্রিকেট থেকে বিদায় নেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। এতদিন ক্যারিয়ারের এমন সিদ্ধান্তগুলো রহস্য হয়ে থাকলেও সম্প্রতি এর কারণ ব্যাখ্যা করেছেন তিনি।

[৩] ২০০৯ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে তিনি ছিলেন পাকিস্তানের অধিনায়ক। সেই সময় থেকেই গুঞ্জন শুরু হয়েছিল পাকিস্তান দলের সদস্যরা নাকি ইউনিসকে পছন্দ করছেন না। প্রশ্ন উঠেছিল তার নেতৃত্ব নিয়েও।

[৪] এরপর পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) তাকে সরিয়ে টেস্টে মিসবাহ উল হক এবং ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে শহীদ আফ্রিদিকে অধিনায়কের দায়িত্ব দেয়। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ইউনিস খান দাবি করেছেন আফ্রিদি এবং দুই-একজন সিনিয়র খেলোয়াড় ছাড়া বাকি সবাই তার পক্ষেই েিছ্লন। তিনি আরও জানান আফ্রিদি নিজে অধিনায়ক হওয়ার জন্যই তার বিরুদ্ধে কথা বলেছিল।

[৫] এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যদি প্লেয়ারদের আমাকে নিয়ে আসলেই কোনো সমস্যা থাকতো, তাহলে তারা আমার সাথে কথা বলতে পারতো। তারা দাবি করেছিল, তারা আমাকে অধিনায়কের পদ থেকে সরাতে চায়নি, কিন্তু তারা ক্রিকেট বোর্ডকে বলেছিল আমাকে দৃষ্টি ভঙ্গি বদলাতে হবে।

[৬] তিনি আরও বলেন, এরপর খেলোয়াড়রা যখন পিসিবি চেয়ারম্যান ইজাজ বাটের সঙ্গে দেখা করে, তখন একজন সিনিয়র প্লেয়ার অর্থাৎ আফ্রিদি অধিনায়ক বদলানোর কথা বলেছিল। আমার মনে হয়, তার অধিনায়ক হওয়ার ইচ্ছে থেকেই এই কথা বলেছিল।

[৭] ওয়ানডে ক্রিকেট থেকে নিজের অবসর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ম্যাচের আগের দিন রাতে প্রধান নির্বাচক হারুন রশিদ আমাকে ডাকে এবং আমি তাকে বলি যে, আমি ওয়ানডে থেকে অবসরের কথা ভাবছি। তখন তিনি ঘুড়ে দাঁড়ালেন এবং অভদ্রভাবে বললেন এটি আমার উপর নির্ভর করবে কিন্তু তিনি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের জন্য আমাকে নির্বাচিত করেছিলেন।

[৮] আমাকে টিম ম্যানেজমেন্ট যা বলে তা শুনতে হবে এবং তাদের কথা মতো খেলতে হবে। আমি তার কথায় খুবই বিরক্ত হয়েছিলাম এবং এই কারণেই পরের দিন সকালে আমার অবসরের ঘোষণা দেই।

[৯] ইউনিসকে ধরা হয় পাকিস্তানের ইতিহাসের অন্যতম সফল ব্যাটসম্যান। তিনি প্রথম পাকিস্তানি হিসেবে সাদা পোশাকের ক্রিকেটে দশ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন। ওয়ানডে ক্রিকেটে সাত হাজারে উপর রান এসেছে তার ব্যাট থেকে। ২০০৯ সালে তার নেতৃত্বেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয় পাকিস্তান। – ক্রিকফ্রেঞ্জি

সর্বাধিক পঠিত