প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] কঠোর বিধি নিষেধেও কেউ অর্ধেক, কেউবা পুরো সাটার খুলেই চালাচ্ছেন দোকান

বিপ্লব বিশ্বাস:[২] আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর তৎপরতা থাকলেও রাজধানীর অলিগলিতে কেউ কেউ খোলা রাখছে দোকান। ভিড় জমাচ্ছে চায়ের দোকানেও। এদিকে, কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ রোধে সকাল থেকে শুরু হয়েছে কঠোর বিধিনিষেধ। জরুরি সেবা ছাড়া অন্য সকল প্রতিষ্ঠান, দোকান বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। তবে জরুরি সেবার মধ্যে পড়ে না এমন অনেক দোকান খোলা থাকতে দেখা গেছে।

[৩] কেউ পুরো সাটার খুলে, কেউ বা অর্ধেক সাটার খুলে দোকান চালাচ্ছেন। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয়রা এমনি তথ্য দেয়। রাজধানীর মোহাম্মদপুরের সাত মসজিদ হাউজিং, চাঁদ উদ্যান, নবীনগর এলাকায় বিধিনিষেধ মানার চিত্র নেই বললেই চলে।

[৪] এসব এলাকার সড়কে প্রতিদিনের মতো শত শত মানুষ চলাচল করছেন। শিশুরা বাইরে খেলাধুলায় ব্যস্ত। বয়স্কদের সময় কাটছে চায়ের দোকানে আড্ডা দিয়ে। সাত মসজিদ হাউজিং এলাকার মূল ফটকটি হাউজিং কর্তৃপক্ষ বন্ধ করে রেখেছেন। তবে সেটি আবার রিকশা বা প্রাইভেট কার এলে দিব্যি খুলেও দেয়া হচ্ছে।
হাউজিং এলাকার ভেতরে প্রবেশ করে দেখা যায়, সেখানকার প্রতিটি খাবার হোটেলই খোলা রয়েছে। প্রতিদিনের মতো হোটেলে বসে খাবার খাচ্ছেন অসংখ্য মানুষ। পাশেই খোলা হার্ডওয়ার, প্রসাধনী ও ডেকোরেটরের দোকান।

[৫] জানা যায়, স্থানীয়দের মাঝে করোনার ভয় নেই। এমনকি সরকারি নির্দেশনারও তোয়াক্কা করেন না তারা। মোহাম্মদপুরে বেড়িবাঁধ পাড়ের এলাকা। এই এলাকায় পুলিশ বা আর্মি ওইভাবে আসবে না, তাই সবাই বাইরে। দোকানও সব খোলা।’ এলাকার পশ্চিম দিকের সড়কের অবস্থা আরও বেহাল। জনচলাচল একেবারেই স্বাভাবিক এবং সব ধরনের দোকানপাটও খোলা। একই চিত্র পাশ্র্ববর্তী চাঁদ উদ্যান এলাকায়। খাবার হোটেল, চায়ের দোকান, বিরিয়ানির দোকানে মানুষের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। এলাকাটিতে সব ধরনের দোকানপাটই খোলা। কিছু দোকানের সাটার অর্ধেক খোলা রাখা হয়েছে। ক্রেতারা মাথা নিচু করে দোকানে প্রবেশ করছেন। সাধারণ দিনের মতোই বিক্রি হচ্ছে জুতা, কাপড় ও অন্যান্য সামগ্রী।

[৬] এদিকে শ্যামলী, মিরপুর, রামপুরা, মগবাজার অলিগলিতে দোকানীরা অর্ধেক সাটার খুলে দোকান চালু রাখতে দেখা গেছে। তবে কেরানীগঞ্জ, কামরাঙ্গীরচরের অনেক জায়গায় পুরো সাটার খুলে স্বাভাবিক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন দোকানিরা।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত