প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১]‘আত্মরক্ষা গ্রুপ’গুলোর উত্থানে মিয়ানমারে আবারও বেড়েছে রক্তপাত ও সহিংসতা

আসিফুজ্জামান পৃথিল: [২] মিয়ানমারের জান্তা সরকার ক্ষমতা দখলের পর শুরু হওয়া সহিংসতা খানিকটা কমে আসতে শুরু করলে বেশ কিছু সংগঠন সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলার ঘোষণা দেয়। এরপর সেখানে আবার সহিংসতা বেড়েছে। এসব সংগঠনের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনী তাদের পূর্ণশক্তি প্রয়োগ করলে ব্যাপক প্রাণহানি ঘটতে পারে। এএফপি

[৩] স্থানীয় এক পর্যবেক্ষণ সংগঠনের দেওয়া তথ্যমতে, গত ফেব্রুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত মিয়ানমারে জান্তাবিরোধী বিক্ষোভ চলাকালে সহিংসতায় ৮৮০ জন নিহত হয়েছেন। মিয়ানমারের কিছু কিছু এলাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা রাইফেল ও বিভিন্ন আগ্নেয়াস্ত্র সংগ্রহ করছেন। এসব অস্ত্র সেখানকার জঙ্গলে তৈরি করা হয়। সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করতে সেখান থেকে অস্ত্র সংগ্রহ করে তারা প্রতিরক্ষা বাহিনী গড়ে তুলছেন।

[৪] এসব প্রতিরক্ষা বাহিনীকে জবাব দিতে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী হেলিকপ্টার ও গোলাবারুদ ব্যবহার করছে। মিয়ানমারের উত্তর-পশ্চিমে চীন ও দেশটির পূর্বাঞ্চলে থাইল্যান্ড সীমান্তে এসব প্রতিরক্ষা গ্রুপের সঙ্গে সেনাবাহিনীর সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে।

[৫] ব্রাসেলস-ভিত্তিক দ্য ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপ (আইসিজি) বলছে, সশস্ত্র বিদ্রোহের মুখে পড়লে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী তাদের সেনাসদস্যদের বেসামরিক মানুষের বিরুদ্ধে নামিয়ে দিতে পারে। এতে ব্যাপক প্রাণহানি হবে। তখন সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখোমুখি হবেন নারী, শিশু ও বৃদ্ধরা। সহিংসতা বাড়লে বাস্তুচ্যুতের সংখ্যাও বেড়ে যাবে।

 

সর্বাধিক পঠিত