প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] চট্টগ্রামের লকডাউন: রিকশাচালকদের দাপটেই অসহায় ছিলো চাকরিজীবীরা

রিয়াজুর রহমান : [২] সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান খোলা থাকার কারনে অফিসগামী চাকরিজীবীরা পড়েছেন বিপাকে। কেউ হেঁটে আবার কাউকে প্রচলিত রিকশা ভাড়ার তিনগুণ দিয়ে পৌঁছতে হয়েছে গন্তব্যে।

[৩] সোমববার (২৮ জুন) সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়- চট্টগ্রাম নগরীর বহদ্দারহাট, মুরাদপুর, জিইসি, চকবাজার, দেওয়ানহাট, আগ্রাবাদ অক্সিজেনসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে গণপরিবহনের জন্য অপেক্ষারত অগণতি মানুষের ভিড় । এদের মধ্যে বেশিরভাগই অফিসগামী, রিকশাচালকদের দাপটে অনেকটা অসহায় সবাই। গন্তব্য একই স্থানে হওয়ায় অনেককে ভাড়া ভাগাভাগি করেও রিকশায় উঠতে দেখা গেছে।

[৪] সীমিত পরিসরে সোমবার (২৮ জুন) ভোর থেকে শুরু হওয়া লকডাউনে রিকশা ছাড়া সব ধরনের গণপরিবহন বন্ধ ছিল চট্টগ্রামে।

[৫] আর এ নিষেধাজ্ঞার প্রথমদিনে সাধারণের তুলনায় প্রায় কয়েকগুণ চাহিদা বেড়েছে রিকশার। তবে এই চাহিদা মূলত অফিসগামী লোকজনের। রাস্তায় ফাঁকা রিকশা পাওয়ায়ই যেন ভাগ্যের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। গণপরিবহন না থাকায় কোনো রিকশা এলেই অপেক্ষারত যাত্রীরা হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন। এর সুযোগে রিকশাচালকরাও বাড়িয়ে দিচ্ছে কয়েকগুণ ভাড়া।

[৬] অন্যদিকে এতো বেশি ভাড়া দিয়ে যাদের রিকশায় চড়ার সামর্থ্য নেই, তাদেরকে শেষে পায়ে হেঁটেই গন্তব্যের দিকে যেতে দেখা গেছে।

[৭] নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অফিসগামী চাকুরীজীবী বলেন- সংক্রমণ রোধে সরকার গণপরিবহন বন্ধ করে লকডাউন ঘোষণা করেছে কিন্তু অফিস-আদালত ঠিকই খোলা রেখেছে। এ কারণে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে চাকরিজীবীদের।

[৮] বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের এক চাকুরীজীবী আরফাত বলেন- যত কষ্টই হোক আমাদের মতো কর্মচারীদের অফিস করতেই হবে। অন্য গাড়ি না থাকায় রিকশাচালকেরা যেভাবে পারছে বাড়তি ভাড়া নিচ্ছে। ৭০ টাকার ভাড়া তারা ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা চাচ্ছে। কোনো তদারকি দেখতে পাচ্ছি না। যার যা খুশি তাই করছে। এই হলো লকডাউন।

[৯] উল্লেখ্য, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সোমবার (২৮ জুন) থেকে সীমিত, পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) থেকে সাতদিন সারাদেশে সর্বাত্মক লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। তাই সরকার ঘোষিত সোমবার থেকে সারা দেশে রিক্সা ও পণ্যবাহী যানবাহন ছাড়া সব ধরনের গণপরিবহন বন্ধ ছিল।

 

সর্বাধিক পঠিত