প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] গত ১ দিনে পদ্মায় পানি বৃদ্ধি পেয়েছে ১০ সেঃ মিঃ, তলিয়ে গেছে কৃষকের ফসলি জমি

ইসমাইল হোসেন : [২] ভেড়ামারা পদ্মা নদীতে হুহু করে প্রতিদিন বাড়ছে পানি। রোববার (২৭ জুন) পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পানির উচ্চতা ছিল ১১ দশমিক ৪০ সেঃ মিটার। গতকাল শনিবার ছিলো ১১ দশমিক ৩০ সেঃ মিটার। গত ১ দিনে পদ্মায় পানি বৃদ্ধি পেয়েছে ১০ সেঃ মিঃ। ফলে পানিতে জমি ও ফসল তলিয়ে গেছে।

[৩] পাবনার পানি উন্নয়ন বোর্ড ও উত্তরাঞ্চল পানি পরিমাপক বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোফাজ্জল হোসেন জানান, (২৭ জুন) রোববার বিকেল ৫ টায় পাকশীর পদ্মার হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পানির পরিমাপ রেকর্ড করা হয় ১১ দশমিক ৪০ সেঃমিটার। গত (২৬ জুন) পানির পরিমাপ রেকর্ড করা হয় ১১ দশমিক ৩০ সেঃ মিটার। গত (২১ জুন) সোমবার পদ্মার হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পানির প্রবাহ রেকর্ড করা হয়েছে ২ লাখ ৬৪ হাজার ৪শ’২৫ কিউসেক।

[৪] তিনি জানান, প্রতিদিনই হার্ডিঞ্জ ব্রিজ পয়েন্টে পানির উচ্চতা ১০ সেঃ মিটার করে বাড়ছে। এই সময়ে পদ্মার পানি যেভাবে বাড়ছে, তাতে বর্ষার আগেই বিপদসীমার কাছাকাছি গিয়ে ঠেকতে পারে।

[৫] এদিকে পদ্মায় পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এলাকার অসংখ্য কৃষকের আবাদ করা ফসল এরই মধ্যে তলিয়ে গেছে। ভেড়ামারা চর গোলাপ নগর এলাকার চরে আবাদ করা বেশিরভাগ বাদাম ক্ষেত পাটসহ অন্যান্য ফসল এখন পানির নিচে। পদ্মায় গিয়ে দেখা গেছে, হার্ডিঞ্জ ব্রিজের ১৫টি স্প্যানের মধ্যে ১৩টির নিচেই এখন হুহু করে স্রোত প্রবাহিত হচ্ছে। পানিতে ভরে গেছে পদ্মানদীর দু’কূল।

[৬] নদী ও পানি গবেষক অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ বলেন, যমুনা ও পদ্মার উৎস যমুনাত্রী ও গঙ্গাত্রীর প্রধান হিমবাহ হিমালয় পর্বতের বরফ গলা পাহাড়ি ঢলের কারণে এই সময়ে পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধির প্রধান কারণ। ভেড়ামারা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার শায়খুল ইসলামের দেওয়া তথ্য মতে, এ মৌসুমে পদ্মার চরাঞ্চলে বিভিন্ন ফসলের আবাদ হয়েছে প্রায় এক হাজার হেক্টর জমিতে। নদীতে অস্বাভাবিকভাবে পানি বৃদ্ধির ফলে চরাঞ্চলের বিস্তৃীর্ণ এলাকার আবাদি ফসল তলিয়ে যাচ্ছে।

[৭] চর গোলাপ নগর গ্রামের কৃষক মতিয়ার রহমান বলেন, চরে আমার ৩ বিঘা জমির ফসল পুরোটাই এখন পানিতে থৈথৈ করছে।

[৮] কৃষক হেলাল উদ্দীন জানান, এ বছর তেমন বন্যা না হওয়ায় চরের ৫ বিঘা জমিতে আগাম মাষকলাই চাষ করেছিলেন। ফলনও ভালো হয়েছিল। কিন্তু পদ্মার পানি হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় ফসল তলিয়ে গেছে। সম্পাদনা : সাদেক আলী

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত