প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] শেরপুরে কেউ মানছে না সরকারি বিধি-নিষেধ, জুন মাসেই করোনায় মোট আক্রান্ত ৭৮৬

তপু সরকার: [২] কোভিড-১৯ দ্বিতীয় ধাপে বাড়লেও সরকারি বিধিনিষেধ ঢিলেঢালা ভাবে পালন করা হচ্ছে বলে অভিজ্ঞ মহল মনে করেন । গণমাধ্যমের শিরোনামে প্রাধান্য বিস্তার ও অনেকটা কমে এসেছে । করোনয় দ্বিতীয় ধাপে বিভিন্ন অংশ এবং এর বাইরেও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে এই ভাইরাস।

[৩] বুধবার পযর্ন্ত সরকারীভাবে জেলায় মৃত্যুর সংখ্যা ২০ জন হলেও বেসরকারী ভাবে মৃত্যুর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে রফিকুল ইসলাম রফিক বলেন, শেরপুরে করোনার ভাইরাসের প্রার্দুভাব দ্রুতহারে বাড়লেও নেই কোনও সর্তকতা ।

[৪] শেরপুরে সদর উপজেলা স্বাস্থ্য প.প. কর্মকর্তা ডাঃ মোবারক হোসেন জানান,১ জুন থেকে বৃহস্পতিবার দুপুর পযর্ন্ত পিছিআর ১১৮জন, এন্টিজেন ৩১৬জন এবং সদরে ৩৫২ জন সর্বমোট ৭৮৬ জন আক্রান্ত জেলায় ।

[৫] শেরপু জেলা হাসপাতালে দুটি আইসোলেসন রয়েছে ১৭ জন। এখানে ১০জন চিকিৎসক রিতিমত চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছেন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের ।

[৬] জেলা করোনা ভাইরাস চিকিৎসা সমন্বয়কারী ডাঃ মোবারক হোসেন আরো বলেন সাধারণ সতর্কতা অবলম্বন করলে ভাইরাসটির সংক্রমণ ও বিস্তারের ঝুঁকি কমিয়ে আনতে পারেন। শ্বাসতন্ত্রের অন্যান্য অসুস্থতার মতো এই ভাইরাসের ক্ষেত্রেও সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা এবং জ্বরসহ হালকা লক্ষণ দেখা দিতে পারে ।

[৭] কিছু মানুষের জন্য এই ভাইরাসের সংক্রমণ মারাত্মক হতে পারে। এর ফলে নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট এবং অর্গান বিপর্যয়ের মতো ঘটনাও ঘটতে পারে। এই ভাইরাস সংক্রমণের ফলে বয়স্ক ও আগে থেকে মারাত্মকভাবে অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি বেশি।

[৮] খন্দকার ইকবাল হাছান বলেন শিশুরা কি ঝুকিঁতে ? যে কোন বয়সের মানুষই এই ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে। তবে একটি বিষয় লক্ষ্যণীয় যে, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত শিশুদের ক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। প্রধানত: আগে থেকে অসুস্থ বয়স্ক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এই ভাইরাস মারাত্মক হতে পারে।

[৯] তবে শহরাঞ্চলের দরিদ্র শিশুদের ক্ষেত্রে এই ভাইরাসের পরোক্ষ প্রভাব রয়েছে।

[১০] শেরপুরের বিভিন্ন গার্ডিয়ানদের সাথে যোগাযোগ করলে তাদের একজন আকবর আকবর আলী নামে তিনি বলেন শেরপুরে সরকারী বেসরকারী স্কুলগুলি বন্ধ থাকলেও নেই কোন গার্ডিয়ানদের সচেতনা । শেরপুর জেলায় প্রায় বাসাগুলি এখন স্কুলে পরিনত হয়েছে প্রতিদিন সকাল থেকে রাত্রিপযর্ন্ত ছোট ছোট স্কুলের বাচ্চাদের প্রাইভেট পড়াতে বাধ্যকরানো হচ্ছে । গ্রাম অঞ্চরের বেশিরভাগ প্রাইভেট স্কুলগুলি খোলা রাখা হয়েছে । সরকারী স্কুলে শিক্ষকেরা বাচ্চাদের প্রাইভেটে বাধ্য করানো হচ্ছে বলেও অনেক অভিযোগ রয়েছে ।

[১১] অভিজ্ঞমহল মনে করেন এই করোনাভাইরাসটি ভয়াবহ গতিতে ছড়িয়েপড়ছে” এটি প্রতিরোধ করার জন্য প্রয়োজনীও সকল ব্যবস্থা করা অত্যান্ত জরুরি । শিশুদের উপর করোনা ভাইরাসের প্রভাব বা এতে কতজন আক্রান্ত হতে পারে-সে সম্পর্কে আমরা এখনো জানিনা ।

সর্বাধিক পঠিত