প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বদলে যাচ্ছে মানচিত্র, পৃথিবীর পঞ্চম মহাসাগরের স্বীকৃতি পেল দক্ষিণ মহাসাগর

রাশিদুল ইসলাম : [২] পৃথিবীর ৭১ শতাংশ জল আর মহাসাগরের সংখ্যা চার। ভূগোলে বিরাট পারদর্শী না হলেও এ তথ্য মোটামুটি সবার জানা, কিন্তু ন্যাশনাল জিওগ্রাফির বদৌলতে এখন এই সংখ্যাটাই একটু ‘আপডেট’ করতে হবে। এই গ্রহে মহাসাগরের সংখ্যা আর চার নয়। পাঁচটি। ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সোসাইটি বর্তমানে ‘সাদার্ন ওশেন’ তথা দক্ষিণ মহাসাগরকে এই পৃথিবীর পঞ্চম মহাসাগর হিসাবে চিহ্নিত করেছে। দক্ষিণ মহাসাগরকে অ্যান্টার্কটিক মহাসাগর তথা অস্ট্রাল মহাসাগরও বলা হয়। সিএনএন

[৩] ন্যাশনাল জিওগ্রাফি সোসাইটি ১৯১৫ সাল থেকে মানচিত্র তৈরি করছে। এবং এখনও পর্যন্ত মানচিত্রগুলিতে আটলান্টিক, প্রশান্ত, ভারত মহাসাগর এবং আর্কটিক ওশেন তথা উত্তর মহাসাগরের নাম রয়েছে। ১৩০ বছর ধরে এ নিয়ে গবেষণার পরই এই স্বীকৃতি দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।

[৪] ন্যাশনাল জিওগ্রাফি সোসাইটির পাশাপাশি দক্ষিণ মহাসাগরকে, পঞ্চম মহাসাগর হিসাবে চিহ্নিত করেছে ইউএস বোর্ড অন জিওগ্রাফিক নেমসও। এর বিস্তৃতি অ্যান্টার্কটিকা উপকূল থেকে ৬০ ডিগ্রি দক্ষিণ অক্ষাংশ পর্যন্ত। ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সোসাইটির ভৌগোলিক অ্যালেক্স টেইট জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিকভাবে চুক্তি না হওয়ায় আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে একে মহাসাগরের স্বীকৃতি দিতে পারিনি। তবে দক্ষিণ মহাসাগর দীর্ঘকাল ধরেই বিজ্ঞানীদের দ্বারা স্বীকৃত।

[৫] দীর্ঘ দিন ধরেই এই বিষয়টি নিয়ে তর্ক ছিল। অ্যান্টার্কটিকার চারপাশে বিপুল জলরাশিকে মহাসাগর হিসেবে ঘোষণা করতে হবে। ২০০০ সালে প্রথম এই মহাসাগরের সীমানা চিহ্নিত করা হয়। কিন্তু সব দেশের সম্মতি না মেলায় এতদিন মহাসাগরের স্বীকৃতি অধরাই ছিল। অবশেষে মিলল সেই কাঙ্খিত স্বীকৃতি।

সর্বাধিক পঠিত