প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বিশ্বকাপ আয়োজনে রাশিয়া লোকসানে থাকলেও কাতার ২ হাজার কোটি ডলার আয় করতে চায়

এল আর বাদল : [২] ২০১৮ সালে বিশ্বকাপ আয়োজন করে রাশিয়া লাভের মুখ দেখেনি। দেশটি খরচ করেছে প্রায় ৮৮৩ বিলিয়ন রুবল। বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে ৪ মিলিয়নেরও বেশি লোকের সমাগম ঘটেছিল রাশিয়ায়। বিশ্বকাপের পর্দা নামার পর হিসাব-নিকাশ শেষে ১৮৪ বিলিয়ন রুবল উপার্জন করেছে রাশিয়া। ৬৯৯ বিলিয়ন রুবল লোকসান হয়েছে রাশিয়ার।

[৩] কাতার কর্তৃপক্ষ ২০২২ সালে বিশ্বকাপ আয়োজনের আগেই সম্ভাব্য ২ হাজার কোটি ডলার আয়ের ঘোষণা দিয়েছে। বিশ্বকাপটির অর্থনৈতিক অবদান নিয়ে একটি সমীক্ষা চালানোর পর শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা হাসান আল থাওয়াদি বার্তা সংস্থা ব্লুমবার্গকে বলেন, আমরা আশা করছি ২০২২ সালের ফিফা বিশ্বকাপ আমাদের অর্থনীতিতে ২ হাজার কোটি ডলার যোগ করবে।

[৪] তবে তিনি জানান, এখনও ওই বিশ্বকাপের অর্থনৈতিক সমীক্ষার খুঁটিনাটি প্রকাশিত হয়নি। আগামী নভেম্বর বা ডিসেম্বর নাগাদ বিশ্বকাপে কাতারে সম্ভাব্য অর্থনৈতিক প্রভাবের খুঁটিনাটি প্রকাশ করা হবে। আল থাওয়াদি বলেন, বিশ্বকাপ থেকে কাতারের নির্মাণ ও পর্যটন খাত সবচেয়ে বেশি লাভবান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

[৫] রাশিয়া বিশ্বকাপের সময়ও পর্যটকরা দেশটির রাজধানী মস্কোতে খরচ করেছেন ৯৬.৫ বিলিয়ন রুবল, যা মস্কোর বাজেটের চেয়ে ১৩.২ বিলিয়ন রুবল বেশি। কাজানে সমর্থকরা খরচ করেছেন ১১.২ বিলিয়ন রুবল, যা ২০১৭ সালে কাজানে স্বাভাবিক খরচের হিসাবের চেয়ে ৬গুণ বেশি। খাবার-বাসস্থান ও অন্যান্য খরচ মিলিয়ে কাজানে পর্যটকদের গড়পড়তা দৈনিক খরচ ছিল ৩৭ হাজার রুবল।

[৬] নিঝনি নভগোরদে স্থানীয় ব্যবসায় অতিরিক্ত ১০ বিলিয়ন রুবল অর্জন হয়েছে। বিশ্বকাপ আয়োজনে রাশিয়ার মোট খরচ হয়েছে ৮৮৩ বিলিয়ন রুবল। আর টুর্নামেন্ট থেকে রাশিয়ার নিট উপার্জন ছিল ১৮৪ বিলিয়ন রুবল। কাতারও বিশ্বকাপকে সামনে রেখে অর্থ আয়ের ক্ষেত্রে পর্যটকদেও উপরই ভরসা করছে। রাশিয়ার অর্থ আয়ের স্বপ্ন পূরন না হলেও কাতার তাদেও চাহিদা পূরণে সক্ষম হবে বলে বিশ্বাস আয়োজকদেও শীর্ষ কর্তা আল থাওয়াদির।

[৭] উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ কাতারে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে গত কয়েক বছর ধরেই কাতারে বিশাল নির্মাণ কাজ চলছে। করোনাভাইরাস মহামারি শেষে আগামী বছর দর্শকপূর্ণ স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। – ব্লুমবার্গ/ সারাবাংলা

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত