শিরোনাম
◈ মেয়ের নিখোঁজে বাবা-মায়ের উদ্বেগহীনতা সমাজের গভীর সংকটের প্রতিচ্ছবি: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ◈ রিয়াদে ফ্লাইট বন্ধ, বিকল্প হিসেবে দাম্মাম ও মদিনায় পাঠানো হবে যাত্রীদের: বিমানমন্ত্রী ◈ বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন: ভারতের শীর্ষ ১০ শতাংশ ধনীর চেয়েও বেশি আয় যুক্তরাষ্ট্রের দরিদ্রদের ◈ যে কারণে সারা দেশে এলপিজি গ্যাসের দোকান বন্ধ ঘোষণা ◈ অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে খুন করে ৯৯৯–এ কল, ঘটনাস্থলে পুলিশ দেখল লাশের পাশে ধূমপান করছেন স্বামী ◈ জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দেশের কয়লা উত্তোলনে জোর, অগ্রাধিকার পাচ্ছে ফুলবাড়ী খনি ◈ চুয়েটে নতুন উপাচার্যকে ভবনের ভেতরে রেখে বাইরে থেকে তালা দিলেন শিক্ষার্থীরা ◈ প্রথম ভোট শুরু ২১ জানুয়ারি, পাঁচ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন: ইসি ◈ ‘নাশতা করার সময় চারদিক থেকে বাসায় ঢিল ছোড়া শুরু হয়’, উত্তরায় জি এম কাদেরের বাসায় হামলা-ভাঙচুর ◈ অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা গ্রেপ্তার নিয়ে যা জানালেন ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার

প্রকাশিত : ১৮ জুন, ২০২১, ০১:২০ রাত
আপডেট : ১৮ জুন, ২০২১, ০১:২০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিখ্যাত ব্যক্তিদের নামে যেসব খাবার

অনলাইন ডেস্ক : হাল্কা খিদে বিদায় করতে অনেকেই দুই মিনিটে ম্যাগি নুডুলস বানিয়ে খেয়ে নেন। আবার ঝটপট মাংস, সবজি, সস মিশিয়ে সিজার সালাদ বানিয়ে খিদে মেটান অনেকে। ম্যাগি বা সিজার সালাদের নামের পেছনের গল্পটা কি জানেন? হয়তো অবাক হবেন এসব খাবারের নামকরণ করা হয়েছে বিভিন্ন ব্যক্তির নামে।

ম্যাগি
চটজলদি রেঁধে খাওয়া যায় এমন খাবার হিসেবে ম্যাগির জনপ্রিয়তার ধারেকাছে কোনো খাবার আসতে পারবে না। এই ম্যাগি নামটা এসেছে জুলিয়াস মাইকেল জোহানেস ম্যাগির নাম থেকে।কারাখানার শ্রমিকদের জন্য ঝটপট তৈরি করা যায় এমন কোনো স্বাস্থ্যকর খাবারের কথা ভেবে ছিলেন তিনি। আর সেই ভাবনা থেকেই ১৮৮৬ সালে ম্যাগি স্যুপ আর প্রি-কুকড ফুড বানিয়ে সাড়া ফেলে দেন তিনি।

নাচোস

জনপ্রিয় মেক্সিকান খাবার নাচোস ইদানিং আমাদের দেশেও বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। মুগ ডাল আর ময়দা মিশিয়ে মচমচে করে ভাজা চিপসের সাথে পনির, মেক্সিকান ঝালহীন মরিচ আর টক-মিষ্টি সস দিয়ে তৈরি খাবারটিকে ভেতো বাঙালি বেশ সাদরেই গ্রহণ করেছেন। তবে নাচোসের নামের পেছনে আছে বিখ্যাত এক শেফের নাম।

১৯৪৩ সালে মেক্সিকান শেফ ইগনাশিও আনায়ার নামে নামকরণ হয়েছে নাচোস। আনায়ার ডাকনাম ছিল নাচোস। তার এই ডাকনামের অনুকরণেই এই অসাধারণ স্বাদের খাবারের নাম হয়ে যায় নাচোস।

টুন্ডে কে কাবাব

লখনউয়ের নবাব ওয়াজিদ আলীর জন্য তৈরি হয়েছিল টুন্ডে কে কাবাব। এই কাবাব এতোই নরম, তুলতুলে যে মুখে দিলেই গলে যাবে। কারণ দন্তহীন নবাব যে কাবাব চিবিয়ে খেতে পারবেন না! অনিয়ন্ত্রিত জীবনের জন্য অল্প বয়সেই দাঁত হারিয়েছিলেন নবাব। তাই নবাবের জন্য মাংসে ১৬০ ধরনের মশলা মাখিয়ে বিশেষ উপায়ে নবাবের খাস রাঁধুনী হাজি মুরাদ আলী আবিষ্কার করেন এই কাবাবের। হাজি মুরাদ আলীর নামেই ছড়িয়ে পড়ে এই কাবাবের সুখ্যাতি।

সিজার সালাদ

সিজার সালাদ অনেকেই খেতে পছন্দ করেন। ইতালি থেকে আমেরিকায় পাড়ি গিয়ে বেশ কয়েকটা রেস্টুরেন্ট খুলেছিলেন সিজার কারদিনি। এই সালাদ আবিষ্কারের পেছনের কাহিনী কম চমকপ্রদ নয়।

১৯২৪ সালের ঘটনা।বন্ধের সময় কয়েকজন মান্যগণ্য অতিথি আসেন সিজারের রেস্টুরেন্টে। ততক্ষণে রেস্টুরেন্টের খাবার প্রায় শেষ। বুদ্ধি করে সিজার রান্নাঘরে বেঁচে যাওয়া রান্না করা মাংস, সবজি আর সস দিয়ে এক ধরনের সালাদ বানিয়ে দেন অতিথিদের। খেয়ে সিজারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন অতিথিরা। এভাবেই জন্ম হয়সিজার সালাদের।

ব্লাডি মেরি

১৯২১ সালে প্যারিসের একটি বারে ভদকা, টমেটোর জুস দিয়ে দারুণ লাল রঙের ককটেল তৈরি করে ফেললেন ফেরনো পেতিওঁ। কিন্তু ককটেলের নাম কী রাখবেন তা ভেবে পাচ্ছিলাম না তিনি। তখন এক যুবক ইংল্যান্ডের রানি প্রথম মেরির নামে ওই ককটেলের নাম দিলেন ব্লাডি মেরি।

  • সর্বশেষ