প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] গন্তব্যে পৌঁছে দেয়ার কথা বলে প্রাইভেটকারে উঠিয়ে সর্বস্ব লুট, গ্রেপ্তার ৫

সুজন কৈরী: [২] রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্রের মূল হোতাসহ পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা উত্তরা বিভাগ।

[৩] গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- চক্রের প্রধান মানিক মিয়া, জাকির হোসেন, আরিফ, হযরত আলী ও জাহিদ হোসেন।

[৫] তাদের কাছ থেকে ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত প্রাইভেটকার, মোবাইল ফোনসেট, ছুরি, গামছা, খাকি রংয়ের স্কচটেপ, লাল-কালো রংয়ের ইলেক্ট্রিক তার ও স্ক্রু-ড্রাইভার উদ্ধার করা হয়।

[৬] বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার এ কে এম হাফিজ আক্তার বলেন, ভিকটিম আরিফুল ইসলাম গত ২০ মে রাত অনুমান সাড়ে ৯টায় কুড়াতলী বিআরটিসি বাস কাউন্টারের সামনে ভুলতা গাউছিয়াগামী বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। তখন একটি সাদা রংয়ের প্রাইভেটকার ভিকটিমের সামনে এসে দাঁড়ায়। তিনি তাদের সঙ্গে ওই প্রাইভেটকারে উঠেন। প্রাইভেটকারটি গাউছিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা করে প্রায় ২০০ মিটার যাওয়ার পর পিছনের সিটের ভিকটিমের দুই পাশে বসা দুজন যাত্রী তার হাত চাপ দিয়ে ধরে। ভিকটিমকে গামছা দিয়ে বেঁধে কিল ঘুষি মারতে থাকে এবং গলায় ছুরি ধরে ভয় দেখায়।

[৭] গ্রেপ্তারকৃতরা ভিকটিমের কাছে থাকা মোবাইল ফোনসেট, নগদ অর্থ ও ব্যবহৃত বিকাশ এ্যাকাউন্টের পিন কোড জোর করে ছিনিয়ে নেয়। রাত অনুমান সোয়া ১০টায় ভিকটিমকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে গাজীপুরের কালিগঞ্জ থানা এলাকায় চোখে স্প্রে করে নামিয়ে দেয়। ভিকটিম তখন বুঝতে পারে প্রাইভেটকারে থাকা সকলেই ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য ছিল। পরে তিনি বাসায় গিয়ে দেখতে পায়, ছিনতাইকারীরা তার বিকাশে থাকা টাকা সেন্ড মানি করে নিয়ে নিয়েছে। এ ঘটনায় ভিকটিম আরিফুল ইসলাম খিলক্ষেত থানায় একটি মামলা করেন। থানা পুলিশের পাশাপাশি মামলাটি ছায়া তদন্ত শুরু করে গোয়েন্দা বিমান বন্দর জোনাল টিম। মামলার ঘটনা তদন্তে সিসি ক্যামেরা ফুটেজ ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তদের অবস্থান শনাক্তের পর বুধবার তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার সিটি ফিলিং স্টেশন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা উত্তরা বিভাগের বিমান বন্দর জোনাল টিম।

[৮] হাফিজ আক্তার আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা ঢাকা মহানগরীর খিলক্ষেত, কুড়িল বিশ্বরোড এলাকা থেকে ভুলতা-গাউছিয়া ও এয়ারপোর্ট থেকে ময়মনসিংহ, শেরপুরে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে কৌশলে যাত্রী উঠায়। পরে যাত্রীর গলায় ইলেক্ট্রিক তার পেঁচিয়ে, গামছা দিয়ে চোঁখ ও হাত বেঁধে, মুখে স্কচটেপ লাগিয়ে, গলায় ছুরি ধরে হত্যার ভয় দেখিয়ে যাত্রীর সর্বস্ব লুট করে নিয়ে নির্জন স্থানে ফেলে দিয়ে চলে যায়। সম্পাদনা: হ্যাপি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত