প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] পরিকল্পিত নগরায়নে দ্বৈততা পরিহার করা না গেলে কোনো পরিকল্পনা কাজে আসবে না: ড. আনসারুল করিম

আব্দুল্লাহ মামুন: [২] প্রতি বছর বাংলাদেশের বড় শহরগুলোর তাপমাত্রা ক্রমাগত বাড়ছে আশঙ্কাজনক মাত্রায়। এই ধারা ঠেকানো না গেলে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের পাঁচটি প্রধান জনবহুল মহানগরী আগামী এক দশকের মধ্যেই বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়তে পারে। শহরগুলো হলো ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা ও সিলেট।

[৩] তাপমাত্রা বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান কারণ অস্বাভাবিক জনঘনত্ব, কংক্রিটের বাড়িঘর, এয়ারকন্ডিশনিং, কলকারখানার আধিক্য, পরিবহন, অপরিকল্পিত নগরায়ণ, জলাভূমি ভরাট ও গাছপালা কেটে ফেলা। এভাবে চলতে থাকলে আগামী ২০ বছর পরে বড় বড় শহরের তাপমাত্রা গ্রামাঞ্চলের তুলনায় পাঁচ থেকে ছয় ডিগ্রি পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে।

[৪] পরিবেশ বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. আনসারুল করিম, নগরায়ন এখন গ্লোবাল ট্রেন্ড, মানুষ যতো বেশি তাদের রির্সোস ও নগরে বসবাসের প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে । নগরের সকল সুযোগ-সুবিধা গ্রামে পৌছানোর একটা পরিকল্পনা সরকারের আছে যা স্বাভাবিক গতিতে চলছে।

[৫] তিনি আরও বলেন, একসময় ইউরোপ, আমেরিকাতে জনসংখ্যার ঘনত্ব, পরিবেশ দূষণ, খাল দূষণ উপলব্ধি করার ফলে দায়িত্ব নিয়ে তা আবার দূষণমুক্ত করা হয়। এসব দেশে থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে। শিল্পায়ণ ও নগরায়নের ফলে ওই সমস্ত দেশে যে ক্ষতিগুলো হয়েছে তা যেনো আমাদের না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে এবং আগে থেকে পরিকল্পনা থাকতে হবে।

[৬] ড. আনসারুল করিম বলেন, পরিকল্পনাবিদ যারা আছে তাদের পরিকল্পনার বাস্তবতার সঙ্গে মিল রাখে না এবং যারা নীতি নির্ধারক পরিকল্পনা সম্পর্কে তারা কোনো ধারণা রাখেন না।

[৭] সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার কার্টিন বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে একটি আন্তর্জাতিক গবেষণায় এই আশঙ্কার চিত্র বেরিয়ে এসেছে। কানাডার ক্যালগারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশের মোট ছয় জন গবেষক এতে যুক্ত ছিলেন। আন্তর্জাতিক সাময়িকী ‘সাসটেইনেবল সিটিজ অ্যান্ড সোসাইটি’তে গবেষণাটি প্রতিবেদন আকারে প্রকাশিত হয়েছে গত মাসে।

সর্বাধিক পঠিত