শিরোনাম
◈ রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে ভাঙচুর নিয়ে যা জানাগেল ◈ ভূমি জটিলতা নিরসনে যাচাই-বাছাই, গড়ে উঠছে ল্যান্ড ব্যাংক ◈ জাতিসংঘে ড. ইউনূসের বক্তব্য, তরুণ নেতৃত্ব নিয়ে যা বললেন (ভিডিও) ◈ রাশিয়ার ‘গেরান-৫’ ড্রোন: ঘণ্টায় ৬০০ কিমি গতি, ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষায় নতুন চ্যালেঞ্জ ◈ ৩ দাবি মানলে ঢাকা শহরে আর ককটেল ফুটবে না: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী (ভিডিও) ◈ কারিগরি ও প্রযুক্তি বিষয়ে শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ◈ সরকারি চাকরিজীবীদের ভবিষ্য তহবিলের সুদহার নির্ধারণ ◈ জাপানে টাইফুন দুজুয়ানের আঘাত, ১৯ লাখ মানুষকে নিরাপদে সরে যাওয়ার নির্দেশ ◈ মঙ্গলবার ৫ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না যেসব এলাকায় ◈ ‘আমি ভারতীয় হলে আমার ছোট ভাই বাংলাদেশি কীভাবে?’ ছত্তিশগড়ে বাঙালি আটক

প্রকাশিত : ১৭ জুন, ২০২১, ০৩:১৩ রাত
আপডেট : ১৭ জুন, ২০২১, ০৩:৪৩ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হাসপাতালের রোগীর বেড বাড়িতে নেওয়ার পথে ধরা খেলো চিকিৎসক

নিউজ ডেস্ক: রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রোগীর বেড বাড়িতে নিয়ে যাবার সময় এক চিকিৎসককে হাতেনাতে আটক করেছে স্থানীয়রা। এ ঘটনাটিকে চুরি বা পাচার বলে স্থানীয়রা দাবি করলেও চিকিৎসক শাহীনুর রহমান বলছেন অন্যকথা।

গতকাল বুধবার (১৬ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে রংপুর নগরীর বুড়িরহাট রোড ডক্টরস ক্লিনিকের সামনে এ ঘটনাটি ঘটে।

একটি ভ্যানে করে বেডটি নিয়ে যাবার সময় স্থানীয়রা বেডটি আটক করে। দুই দফায় ওই চিকিৎসকের সাথে স্থানীয়দের বাগবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে বেডটি উদ্ধার করে হাসপাতালে পৌঁছে দেন তারা।

জানা গেছে, অভিযুক্ত ওই চিকিৎসকের নাম একেএম শাহীনুর রহমান। তিনি হাসপাতালের হেমাটোলজি বিভাগের মেডিকেল অফিসার।

শাহীনুর রহমান জানান, তার মা দেড় মাস ধরে হাসপাতালের হৃদরোগ বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছে। শারীরিক অবস্থা খুব একটা ভালো না। বর্তমানে তার মাকে কেবিনে রাখা হয়েছে। কিছুদিনের মধ্যে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়িতে নেওয়ার কথা চলছিল। বাড়িতে যাতে বেডে থাকতে অসুবিধা না হয়, একারণে হাসপাতাল থেকে স্টোর রুমে পড়ে থাকা একটি পুরাতন বেডটি মুচলেকা দিয়ে গ্রহণ করেন। বুধবার বিকেলে বেডটি বাড়িতে নিয়ে যাবার পথে স্থানীয়দের সন্দেহ হওয়াতে তা আটক করে এবং বিভিন্ন ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করতে থাকে। পরে তাদের উপস্থিতিতে বেডটি হাসপাতালে ফেরত দেন।

তিনি বলেন, হাসপাতালের সম্পদ নষ্ট হোক, এমনটা কখনো করিনি। শুধুমাত্র মানবিক দিক থেকে নিজের মায়ের থাকার সুবিধার কথা চিন্তা করে স্টোর কিপার বেলাল ও ৩০নং ওয়ার্ড ইনচার্জ মমতাকে অবগত করে মুচলেকার মাধ্যমে বেডটি নিয়েছিলাম। আমার অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল না। কিন্তু আজকের ঘটনার পর অনুভব করছি, আইনগত ভাবে এটা নেওয়া আমার ঠিক হয়নি।

এ ব্যাপারে জানতে হাসপাতালের স্টোর কিপার বেলাল হোসেন এবং ৩০নং ওয়ার্ড ইনচার্জ মমতার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাদের পাওয়া যায়নি।

তবে নাম না প্রকাশের শর্তে একজন সিনিয়র স্টাফ নার্স বলেন, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকেই বেডটি স্যারের (ডা. শাহীনুর) অসুস্থ মায়ের ব্যবহারের জন্য দেওয়া হয়েছিল। এটা চুরি বা পাচারের মতো কোনো ঘটনা নয়। কারণ বেডটি শাহীনুর স্যারের জিম্মায় ছিল, তাকে ব্যবহারের পর ফেরত দিতে হতো।

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. রেজাউল করিম বলেন, ওই চিকিৎসক তার মায়ের জন্য স্টোর কিপার ও ওয়ার্ড ইনচার্জকে অবগত হাসপাতালের পুরাতন একটি বেডটি বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে স্থানীয়রা তা আটক করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরে পুরো ঘটনাটি আমি জেনেনি। এ ঘটনার সঙ্গে পাচারের কোনো যোগসূত্র রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হবে। তবে তাঁর অনুমতি ছাড়াই হাসপাতাল থেকে বেডটি বাহিরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে জানান পরিচালক।

সূত্র- ইত্তেফাক

 

  • সর্বশেষ