শিরোনাম
◈ মিয়ানমার সীমান্তে ১০৮ কিলোমিটার কাঁটাতারের বেড়া, প্রাথমিক পরিকল্পনার কথা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ লিওনেল মেসির সঙ্গে 'প্রতারণা করেছে আর্জেন্টিনা' ◈ ফাইনালে আর্জেন্টিনার এনজোর লাল কার্ড নিয়ে যা বলছে ভিএআর ◈ হামের উপসর্গে আরও পাঁচ মৃত্যু, সিলেটে তিনজন ◈ স্টারমারের স্থলাভিষিক্ত বার্নহাম, ব্রিটেনে নতুন সরকার ◈ বাংলাদেশ রেলওয়েতে যুক্ত হচ্ছে ভারতের তৈরি ২০০ আধুনিক কোচ, বাড়বে যাত্রী পরিবহন সক্ষমতা ◈ জুলাই সনদে ঐকমত্যে পৌঁছাতে রাজনৈতিক দলগুলোর একসঙ্গে বসা উচিত: রিজভী ◈ ডেঙ্গুতে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৩৭২ ◈ সীমান্ত সুরক্ষা ও অপরাধ দমনে বিজিবিকে কড়া নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ◈ চার স্টেশনে নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে, বন্যার সতর্কবার্তা

প্রকাশিত : ১৭ জুন, ২০২১, ০৩:১৩ রাত
আপডেট : ১৭ জুন, ২০২১, ০৩:৪৩ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হাসপাতালের রোগীর বেড বাড়িতে নেওয়ার পথে ধরা খেলো চিকিৎসক

নিউজ ডেস্ক: রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের রোগীর বেড বাড়িতে নিয়ে যাবার সময় এক চিকিৎসককে হাতেনাতে আটক করেছে স্থানীয়রা। এ ঘটনাটিকে চুরি বা পাচার বলে স্থানীয়রা দাবি করলেও চিকিৎসক শাহীনুর রহমান বলছেন অন্যকথা।

গতকাল বুধবার (১৬ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে রংপুর নগরীর বুড়িরহাট রোড ডক্টরস ক্লিনিকের সামনে এ ঘটনাটি ঘটে।

একটি ভ্যানে করে বেডটি নিয়ে যাবার সময় স্থানীয়রা বেডটি আটক করে। দুই দফায় ওই চিকিৎসকের সাথে স্থানীয়দের বাগবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে বেডটি উদ্ধার করে হাসপাতালে পৌঁছে দেন তারা।

জানা গেছে, অভিযুক্ত ওই চিকিৎসকের নাম একেএম শাহীনুর রহমান। তিনি হাসপাতালের হেমাটোলজি বিভাগের মেডিকেল অফিসার।

শাহীনুর রহমান জানান, তার মা দেড় মাস ধরে হাসপাতালের হৃদরোগ বিভাগে চিকিৎসাধীন রয়েছে। শারীরিক অবস্থা খুব একটা ভালো না। বর্তমানে তার মাকে কেবিনে রাখা হয়েছে। কিছুদিনের মধ্যে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়িতে নেওয়ার কথা চলছিল। বাড়িতে যাতে বেডে থাকতে অসুবিধা না হয়, একারণে হাসপাতাল থেকে স্টোর রুমে পড়ে থাকা একটি পুরাতন বেডটি মুচলেকা দিয়ে গ্রহণ করেন। বুধবার বিকেলে বেডটি বাড়িতে নিয়ে যাবার পথে স্থানীয়দের সন্দেহ হওয়াতে তা আটক করে এবং বিভিন্ন ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করতে থাকে। পরে তাদের উপস্থিতিতে বেডটি হাসপাতালে ফেরত দেন।

তিনি বলেন, হাসপাতালের সম্পদ নষ্ট হোক, এমনটা কখনো করিনি। শুধুমাত্র মানবিক দিক থেকে নিজের মায়ের থাকার সুবিধার কথা চিন্তা করে স্টোর কিপার বেলাল ও ৩০নং ওয়ার্ড ইনচার্জ মমতাকে অবগত করে মুচলেকার মাধ্যমে বেডটি নিয়েছিলাম। আমার অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল না। কিন্তু আজকের ঘটনার পর অনুভব করছি, আইনগত ভাবে এটা নেওয়া আমার ঠিক হয়নি।

এ ব্যাপারে জানতে হাসপাতালের স্টোর কিপার বেলাল হোসেন এবং ৩০নং ওয়ার্ড ইনচার্জ মমতার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাদের পাওয়া যায়নি।

তবে নাম না প্রকাশের শর্তে একজন সিনিয়র স্টাফ নার্স বলেন, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকেই বেডটি স্যারের (ডা. শাহীনুর) অসুস্থ মায়ের ব্যবহারের জন্য দেওয়া হয়েছিল। এটা চুরি বা পাচারের মতো কোনো ঘটনা নয়। কারণ বেডটি শাহীনুর স্যারের জিম্মায় ছিল, তাকে ব্যবহারের পর ফেরত দিতে হতো।

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. রেজাউল করিম বলেন, ওই চিকিৎসক তার মায়ের জন্য স্টোর কিপার ও ওয়ার্ড ইনচার্জকে অবগত হাসপাতালের পুরাতন একটি বেডটি বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে স্থানীয়রা তা আটক করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরে পুরো ঘটনাটি আমি জেনেনি। এ ঘটনার সঙ্গে পাচারের কোনো যোগসূত্র রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হবে। তবে তাঁর অনুমতি ছাড়াই হাসপাতাল থেকে বেডটি বাহিরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে জানান পরিচালক।

সূত্র- ইত্তেফাক

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়