প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সৌমিত জয়দীপ: পুরুষতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থারই শিকার হয়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি

সৌমিত জয়দীপ: নারী ইউএনওরা মৃত মুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রের পক্ষে গার্ড অব অনার দিতে পারবেন না। সংসদীয় কমিটির এমন প্রস্তাবের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানালেও এতে অবশ্য বিস্মিত হওয়ারও কিছু দেখি না। রাষ্ট্র নারীকে এমন চোখেই দেখে, কেননা রাষ্ট্রকেও তো সাম্প্রদায়িকতার পারপাস সার্ভ করতে হয় মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশে। রাষ্ট্র যদি যে কোনো সাম্প্রদায়িক (নারী-পুরুষের বিভাজনও এক ধরনের সাম্প্রদায়িকতা) বিচার থেকে নিজেকে আলাদা করতে না পারে, তাহলে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সুবিধাভোগীরাও কোনো না কোনোভাবে বৈষম্যের শিকার হতে বাধ্য। হলোও তাই। এই চৈতন্য আধিপত্যবাদী ক্ষমতাবাদী পুরুষতান্ত্রিক রাষ্ট্রেরই এক প্রতীকী প্রতিচ্ছবি। এই আধিপত্যবাদী ক্ষমতাবাদী পুরুষতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থারই শিকার হয়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। তার আগে আরও অনেকেই হয়েছেন ইয়াসমিন, তনু, নুসরাত, মুনিয়া আরও অগণিত নাম। এ ইস্যুতে ফেসবুকেই যা জেনেছি। জানার পর একটা নিউজও আমার পড়ার আগ্রহ হয়নি।

সত্যই পড়িনি। কেননা, আমি জানি, যথারীতি ভিক্টিম ব্লেমিং শুরু করে দিয়েছে পুরুষ শাসিত সমাজ। সব দোষ পড়ছে মেয়েটার গায়ে ও শরীরে। নারী হয়ে উঠছে যথারীতি পতিতা বা পতিতার প্রতিমূর্তি। নারীর জন্য রাতের আঁধার কী পরাধীনতা নিয়ে যে হাজির হয় এ রাষ্ট্রে। নারীর প্রতি অন্যায় হলেই, অপরাধীর দোষ ঢাকতে উঠেপড়ে নেমে পড়া এ দেশে কতো রকম সম্ভাবনাময় খুনি-ধর্ষক লুকিয়ে আছে, তা বারবার জানতে চোখ রাখুন এমন সব ঘটনার এক একটা অ্যাপিসোডে। অ্যাপিসোড থেকে অ্যাপিসোডে ঘটনার বয়ান বদলায় শুধু। নারী যে ভিক্টিম, সে ভিক্টিমই রয়ে যায়। অবস্থা বদলায়, অনাস্থা বদলায় না। নারী হয়ে জন্মানোটা এ রাষ্ট্রে কী যে এক দুর্বিষহ যন্ত্রণা, তা সিংহভাগ পুরুষই মেয়ের বাপ হওয়ার আগে বুঝবে না। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত