প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ফজলুল বারী: পরীমনিকে বেয়াদব এবং বেপর্দা মেয়ে মানুষ হিসেবে দেখতে গিয়ে ধরা খেয়েছেন যারা!

ফজলুল বারী: পরীমনির বিরুদ্ধে আওয়াজ উঠেছিল পুরুষতন্ত্রের গৌরবে। আইজিপি বেনজিরের প্রতি ভালোবাসা থেকেও কেউ কেউ অতিদ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে ফেলেন! কিন্তু ফোন হাতে বসে থাকা দেশের সর্বক্ষণিক প্রধানমন্ত্রী তাতে পানি ঢেলে দিয়েছেন। তাঁর বার্তা পাবার পর অ্যাকশনগুলো হয়েছে দ্রুত। বোটক্লাবও অতিদ্রুত অ্যাকশনে চলে গেছে। হাল আমলের একেকটি ঘটনার পর পুলিশের যারা ব্রিফিং করেন তারাও স্পটে চলে গিয়েছিলেন! এতেও বার্তাটি আরও স্পষ্ট হয়।

একাত্তর-সহ প্রধান টিভি চ্যানেলগুলো গ্রেফতারের দৃশ্য লাইভ দেখাচ্ছিল। বোট ক্লাবের বর্ণনা পড়ছিলাম। সিডনিতে এমন ক্লাব শতাধিকতো হবেই। বাংলাদেশে এখন কে কতো মালদার প্রভাবশালী বা বনেদি তা এসব ক্লাবের সদস্যপদ, প্রবেশাধিকার দিয়ে মাপা হয়। আমাদের সময়কার হাভাতে অনেক সাংবাদিকও এখন এসবের সদস্য। পুরুষতন্ত্রের রোগটি হলো এসবে তারা যান বা সুযোগ পেলে তারা যাবে, বেয়াদব মেয়েমানুষ যাবে কেন। পরীমনিকে তারা বেয়াদব, বেপর্দা মেয়েমানুষ হিসেবে দেখতে গিয়ে ধরাটি খেয়েছেন। এই সুযোগে মুনিয়ার নামটিও চলে এসেছে সামনে। বেচারী ভাগ্যহীনা। বেঁচে থাকতে যদি কথা বলতে পারতো তার ঘটনাও হয়তো পরীমনির মতো হতে পারতো। আনভীর নাসিরের চাইতে বড় ভূমিদস্যু। লেখক : অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী সাংবাদিক। ফেসবুক থেকে

সর্বাধিক পঠিত