প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

খুজিস্তা নূর-ই নাহারিন: কোথাও একটা ভুল হচ্ছে না তো, ঘটনার পেছনে অন্য কোনো ঘটনা নেই তো?

খুজিস্তা নূর-ই নাহারিন: নাম করা জনপ্রিয় একটি ক্লাবে এতো লোকজনের মাঝে যৌন নির্যাতন কিংবা ধর্ষণের চেষ্টা করা কীভাবে সম্ভব? উক্ত ক্লাবের সদস্য সংখ্যা প্রায় ৩ হাজার। পরিবেশ এবং দৃষ্টি নন্দন স্থাপনার জন্য প্রচুর লোক সমাগম। শুনেছি রাত ১ টা পর্যন্ত ভিড় থাকে। যার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হচ্ছে তিনি ষাটোর্ধ বয়সী ঠাণ্ডা মাথার অত্যন্ত বিচক্ষণ ব্যক্তি । ছেলে পুলের বিয়ে দিয়ে দিয়েছেন। আগেও তিনি নাম করা অন্য একটি ক্লাবের পর পর কয়েকবারের প্রেসিডেন্ট ছিলেন। নিশ্চয়ই তার মান সম্মান ইজ্জতের ভয় আছে। ক্লাব কালচারে নারীদের অতীব সম্মানের সঙ্গে দেখা হয়। ক্লাবে যে কোনো নারীর সঙ্গে অসদাচরণ মানে ব্ল্যাক বল পাওয়া অর্থাৎ ক্লাবে নিষিদ্ধ ঘোষিত হওয়া। কোনো কোনো ক্ষেত্রে লক্ষ লক্ষ টাকার মেম্বারশিপ নিমিষেই বাজেয়াপ্ত ঘোষণা। যে কোনো নারীর সঙ্গে বাজে ব্যাবহার ক্লাবের সম্মান, রেপুটেশনের জন্য হানিকর। কারণ ক্লাবে ক্ষমতায় থাকা ব্যক্তি তাদের আচার আচরণের ওপর ভিত্তি করে ক্লাবের মেম্বারশিপের দাম ওঠা-নামা করে। তার মতো অভিজ্ঞ একজন ব্যক্তির পক্ষে এতো কাঁচা কাজ কেমনে সম্ভব? সব পুরুষ ধোঁয়া তুলসী পাতা বলছি না, কিন্তু সত্যি সত্যি কেউ চাইলে বা মিন করলে তার জন্য ঢাকা শহরে জায়গার অভাব তো নেই। ক্লাব মানে জনসম্মুখ, হাজার হাজার জনতা, দেশের সব শ্রেণি পেশার লোকদের উপস্থিতি। যে কোনো ঘটনা নিমিষেই পুরো দেশ তথা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পরে।

তিনি নিজে অনেক গুলো ক্লাবের মেম্বার এবং ক্লাব কালচারে অভ্যস্ত ব্যক্তি। ক্লাবের সব পুরুষ সাধু নয় কিন্তু জনসম্মুখে সবাই ওয়েল বিহেভড, ওয়েল মেনারড পারসন অর্থাৎ ভদ্রলোক । কে কার থেকে বেশি ভালো সেই প্রতিযোগিতা। সামাজিক কোনো ক্লাবে কোনোদিন বিন্দুমাত্র নোংরামি দেখিনি। ধর্ষণ কিংবা যৌন নির্যাতনের প্রশ্নই ওঠে না। সামান্য টোন করাকে নোংরা ইঙ্গিত ধরে নিয়ে সেখানে গর্হিত অপরাধ বলে বিবেচিত। তবে মিছেই কেন মেয়েটির সঙ্গে খারাপ ব্যাবহার করবে? জোর করে তার গলায় মদ ঢেলে দেবে? কেবল ধর্ষকের নাম শুনে নয়, যেই স্থান অর্থাৎ সোশ্যাল ক্লাবের কথা বর্ণনা করা হয়েছে, যেভাবে বর্ণনা করা হয়েছে অর্থাৎ ক্লাব লাউঞ্জে ধর্ষণ অসম্ভব বলে মনে করি। সেখানে ক্লাব মেম্বার ছাড়াও শত শত কর্মচারী, সিকিউরিটিতে ভরপুর। ঘটনাটি নিয়ে আমি কনফিউজড, দ্বিধায় ভুগছি। পুরো ব্যাপারটি ধোঁয়াশায় ঘেরা। তবে মেয়েটি যদি মানসিক এবং শারীরিক যে কোনো ধরনের নির্যাতনের শিকার হয়ে থাকে তার জন্য আমার সমবেদনা এবং সহানুভূতি থাকবে। নির্যাতন অবশ্যই শাস্তি যোগ্য জঘন্য অপরাধ। যা কিছুই ঘটুক অতি দ্রুত সত্য উন্মোচিত হোক। সত্য প্রমাণিত হলে চড়া দামে মূল্য চুকাতে হবে। ফেসবুক থেকে

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত