প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বগুড়ার নন্দীগ্রামে হাটুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাটির ঘর এখন মরণ ফাঁদ

জিল্লুর রয়েল: [২] বগুড়ার নন্দীগ্রামে হাটুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তিনটি মাটির ঘর এখন মরণ ফাঁদে পরিনত হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ ওই ঘরগুলো ভেঙে যে কোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।

[৩] স্থানীয়রা জানায়, ১৯৬০ সালে গ্রামের কিছু শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিরা হাটুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে। বিদ্যালয়টি সরকারি হওয়ার পরে দুটি পাকা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। ওই দুটি পাকা ভবনেই চলে পাঠদানসহ বিদ্যালয়ের সকল কার্যক্রম। তারপরেও মাটির ঘরগুলো এখনও ভাঙা হয়নি। বিদ্যালয় চলাকালিন সময় অনেক শিক্ষার্থীই ওই ঘরের মধ্যে আসা-যাওয়া ও খেলাধুলা করে। আবার বিদ্যালয় বন্ধ থাকলেও গ্রামবাসীরা ঘরগুলোর মধ্যে আসা-যাওয়া করে।

[৪] সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, মাটির ঘরের বেশিভাগ অংশ খসে পরেছে। যেটুকু অংশ বাকি আছে তাতে গোবর শুকাচ্ছে গ্রামের কিছু লোক। ঘরের জানালা-দরজা কিছু নাই। আবার টিনগুলোও নষ্ট। মাটির ঘরগুলোর সঙ্গে রয়েছে দুটি পাকা ভবন।

[৫] হাটুয়া গ্রামের সুরুজ কুমার সরকার বলেন, আমার ছেলে হাটুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ম শ্রেণির ছাত্র। মাটির ঘরগুলোর খুবই খারাপ অবস্থা। তাই যে কোনো সময় ছাত্র-ছাত্রীর উপর ভেঙে পরতে পাড়ে। কেন যে মাটির ঘরগুলো ভাঙা হচ্ছে না, তা বুঝতে পারি না।

[৬] ইউপি সদস্য পরিমল চন্দ্র জানান, মাটির ওই ঘরগুলো খুবই খারাপ অবস্থা। খুব দ্রুত ঘরগুলো না ভাঙা হলে যে কোনো সময় বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে।

[৭] হাটুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাধান শিক্ষক লুৎফুন নেছা বলেন, এর আগে আমরা কমিটির সভায় ঝুঁকিপূর্ণ মাটির ঘরগুলো ভাঙার জন্য আলোচনা করেছি। অনেকেই ঘরগুলো ভাঙার বিপক্ষে তাই ভাঙা হয়নি। আমি আবারো আলোচনা করে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা স্যারকে জানাবো।

[৮] উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল কাইয়ুম বলেন, হাটুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ঝুঁকিপূর্ণ ঘরগুলো অপসারণের জন্য খুব শীঘ্রই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সম্পাদনা: হ্যাপি

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত