প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

টেলিভিশনের নাটক এখন মার্কেটিংয়ের হাতে : জাহিদ হাসান

ইমরুল শাহেদ: মঞ্চ, নাটক ও চলচ্চিত্রের বহুমুখী চরিত্রে অভিনয় করে অভিনেতা জাহিদ হাসান এখন অনেক বেশি সমৃদ্ধ। শুধু অভিনয় নয়, তিনি নিজেকে একজন নাট্য নির্মাতা হিসেবেও গড়ে তুলেছেন। ক্যামেরার সামনের চাইতে পেছনেও তিনি যে দক্ষ সেটা ইতোমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে। এখন তিনি ক্যারিয়ারের একটা পর্যায়ে চলে এসেছেন। নিজের অতীত উপলব্ধির সঙ্গে বর্তমানকে মিলিয়ে তিনি সম্প্রতি গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘ইচ্ছা ছিল অভিনয়শিল্পী হব। সে চেষ্টাই করে গেছি সব সময়। কাজকে ভালোবেসেছি। প্রতিনিয়তই শিখছি। তিন দশকের বেশি কাজ করছি আর শিখছি। কতটা পেরেছি, জানি না। তবে এ কথা বহুবার শুনেছি, “জাহিদ ভাই, আমরা আপনাকে ব্যবহার করতে পারলাম না।” হয়তো তাঁরা আমার মধ্যে কোনো অভিনয়দক্ষতা খুঁজে পেয়েছিলেন।’

১৯৮৬ সালে আবদুল লতিফ বাচ্চু পরিচালিত বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত ‘বলবান’ ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে অভিনয় জীবন শুরু করেন। তার টেলিভিশনে অভিনয় জীবন শুরু হয় ১৯৯০ সালে। তার আগে তিনি ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনে অভিনয়ের অডিশন দেন। তার অভিনীত প্রথম টেলিভিশন নাটক ‘জীবন যেমন’। আলিমুজ্জামান দুলু প্রযোজিত নাটকটি ১৯৯০ সালে বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত হয়। এই নাটকটি তার জীবনে রূপ পরিবর্তন করে দেয়। ১৯৯০ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প ‘সমাপ্তি’ অবলম্বনে নির্মিত সমাপ্তি টেলিফিল্মে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন। নাটকটির চিত্রনাট্য রচনা করেছিলেন অভিনেত্রী সুবর্ণা মুস্তাফা।

বর্তমান কাজের ধারা নিয়ে জাহিদ হাসান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘টেলিভিশনের নাটক এখন মার্কেটিংয়ের হাতে। তারা শুধু ফুটেজ চায়। গল্প ও নির্মাণ কেমন – এগুলো দেখে না। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইক, কমেন্ট দেখে অভিনয়ে নিচ্ছেন।’ তিনি বলেন, ‘এভাবে অভিনেতা তৈরি হয় না। এটা খুবই দুঃখজনক। আমরা সাংস্কৃতিক এই অঙ্গনকে গুরুত্ব দিচ্ছি না। আমরা হচ্ছি ফাউন্টেন পেন, এটার কালি ফুরিয়ে যাবে। কিন্তু আবার ভরাট করা যাবে। কলম ফেলে দিতে হয় না। এখনকার জেনারেশন বলপয়েন্ট পেন। দ্রুত চলে। কালি শেষ হলেই অকেজো হয়ে যাবে। এভাবে চললে আমরা শিল্পীসংকটে ভুগবই।’

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত