প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ঢাকা-ময়মনসিংহ ‘এক্সপ্রেসওয়ে’র ট্রানজেকশন এ্যাডভাইজার নিয়োগ সম্পন্ন, কাজ শুরু আগামী বছর, শেষ হবে ২০২৪ সালে

সুজিৎ নন্দী: [২] সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী গাজীপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, শেরপুর, কিশোরগঞ্জ ও জামালপুর জেলায় অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে এই ‘এক্সপ্রেসওয়ে’তে উল্লেখযোগ্য হারে যানবাহনের সংখ্যা বাড়বে।

[৩] মহাসড়কে ওঠা-নামার জন্য সীমিত পরিমাণ গ্রেড-সেপারেটেড ইন্টারচেঞ্জ থাকবে। নির্ধারিত স্থানে টোল দেওয়ার মাধ্যমে যানবাহন চলার অনুমতি পাবে। জ্বালানি সরবরাহ, যাত্রীদের বিশ্রাম ও পানাহারের জন্য ১টি সার্ভিস এরিয়ার ব্যবস্থা থাকবে।

[৪] এছাড়া, মহাসড়কে চলাচলকারী যানবাহনের ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য এক্সেল লোড কন্ট্রোল স্টেশন ও যানবাহনের সুশৃঙ্খল চলাচল নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তথ্য-প্রযুক্তিনির্ভর ইন্টিলিজেন্ট ট্রান্সপোর্ট সিস্টেমসহ আধুনিক ট্রাফিক কন্ট্রোল সেন্টার বসানো হবে।

[৫] সড়ক ও জনপথ বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী জানান, ৮৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এই মহাসড়কের দুই পাশে দুই সার্ভিস লাইনসহ থাকছে মোট ছয় লেন। দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে জি টু জি চক্তির মাধ্যমে সম্পন্ন হবে। প্রকল্পের প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৩৫৩ কোটি ৩৬ লাখ টাকা।

[৬] তিনি আরও বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-ময়মনসিংহ ‘এক্সপ্রেসওয়ে’তে প্রতিদিন ৩১ হাজার গাড়ি চলবে। পাশাপাশি অযান্ত্রিক ও ধীরগতির পরিবহন চলাচলের জন্য মূল এক্সপ্রেসওয়ের পাশে সার্ভিস লেন থাকবে।

[৭] ইতোমধ্যেই প্রাক-সম্ভাব্যতা সমীক্ষা সম্পাদন করা হয়েছে। প্রাক-সম্ভাব্যতা সমীক্ষার সুপারিশে বলা হয়েছে মহাসড়কে হেভি ট্রাফিক লোড ও ভবিষ্যৎ ট্রাফিক চাহিদা মাথায় রেখে ভূমি অধিগ্রহণ বিষয় বিবেচনায় জয়দেবপুর থেকে ময়মনসিংহ পর্যন্ত ৮৭ কিলোমিটার মহাসড়কের উভয় পাশে ৫ দশমিক ৫ মিটার থেকে ৭ দশমিক ৩ মিটার চওড়া সার্ভিস লেন রাখতে হবে।

[৮] প্রকল্প প্রসঙ্গে মন্ত্রণালয়ের উদ্ধতন কর্মকর্তা বলেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বৃহত্তর ময়মনসিংহের সঙ্গে ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলের যাত্রীবাহী-পণ্য বহনকারী যানবাহনগুলোর চলাচল দ্রুত-সহজ হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত