প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] হাটহাজারীর পাহাড়ী এলাকা থেকে ঝুকিপুর্ণ ৬ পরিবারের ৩১ সদস্যকে সরিয়ে নিলেন ইউএনও

মোহম্মদ হোসেন : [২] চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার প্রায় ২২ কিলোমিটার এলা জুড়ে পাহাড়ে অবৈধ বসতি
যারা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিকে ম্যানেজ করে এসব স্থাপনা তৈরি করে বসবাস করে আসছিল। যখন বর্ষা শুরু হয় তখন তাদের জীবনের ঝুকি নিয়ে বসবাস করতে হয়।

[৩] সব সময় তাদের মাথায় চিন্তা থাকে যে কখন পাহাড় ভেঙে পড়বে এখনই মাথার ওপর। তছনছ হয়ে যাবে কুঁড়েঘরে সাজানো সংসার। কেড়ে নেবে স্ত্রী-সন্তানসহ প্রিয়জনদের জীবন। বর্ষা মৌসুম এলে চোখে তাদের ঘুম আসে না এই চিন্তায় পাহাড়ী এলাকায় বসবাসকারীদের।

[৪] ধারনা করা হচ্ছে,উপজেলা পুরো পাহাড়ী এলাকা জুড়ে অন্ততপক্ষে ১০ হাজার ও অধিক পরিবার পাহাড়ের একদম গা ঘেঁষে এবং পাহাড়ের পাদদেশে ঘর তৈরি করে পরিজন নিয়ে বসবাস করছে। পাহাড় ধসে মাটির নিচে চাপা পড়ে প্রতি বছর বর্ষাকালে পাহাড়ি বাসিন্দাদের মৃত্যুর ঘটনা চোখে পড়ার মতো। পাহাড়ের ওপর বসতঘর দেখে মনে হয় পরিবারগুলো যেন মৃত্যুকূপে বসবাস করছে।

[৫] হাটহাজারী উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাইকিং করে ঝুকিপুর্ণ পাহাড়ী এলাকা থেকে সরিয়ে যাওয়ার জন্য বলা হলেও অনেকেই তা মানছেন না। জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে অনেক দরিদ্র পরিবার এসে বসবাস করছে উপজেলার বিভিন্ন পাহাড়ী এলাকায়। প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে পাহাড় ধসে প্রাণহানি ঘটে। তা সত্ত্বেও দরিদ্র এবং অসচেতন মানুষগুলো ঝুঁকি নিয়ে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাস করছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাহাড়ে ঝুঁকিপুর্ণ বসবাসকারীদেরকে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যামে সরিয়ে যেতে বলা
হচ্ছে ।

[৬] এ দিকে উপজেলার ফরহাদাবাদ ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের মনাই ত্রিপুরা পাড়ার ঝুঁকিতে বসবাসরত ৬ পরিবারকে সরিয়ে নিয়ে নিরাপদ আশ্রয় নিয়ে আসেন উপজেলা প্রশাসন। টানা বৃষ্টি ভারী বর্ষণের হলে পাহাড় ধ্বসের আশংকা দেখা রয়েছে।

[৭] হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন,টানা বৃষ্টি হচ্ছে হয়তো ভারী বৃষ্টির আশংকাও রয়েছে যার কারনে মনাই ত্রিপুরা পাড়ার ৩১ জন কে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে আসতে হয়। আশ্রয় কেন্দ্রে তাদের খাবারের ব্যবস্থা করেন উপজেলা প্রশাসন। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

সর্বাধিক পঠিত