প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] এনআইডি সেবা নির্বাচন কমিশনের কাছে রাখতে মন্ত্রিপরিষদকে চিঠি

সমীরণ রায়: [২] জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন (এনআইডি) সেবা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা বিভাগে হস্তান্তরের বিষয়ে নিজের বক্তব্য তুলে ধরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

[৩] গত মঙ্গলবার ইসি’র উপসচিব মোহাম্মদ এনামুল হক এ সংক্রান্ত চিঠি মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে পাঠিয়েছেন।

[৪] এতে বলা হয়, ইসি ২০০৭-২০০৮ সালে আদালতের নির্দেশনা ও আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের দাবির প্রেক্ষিতে ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নেয়। ইসি’র ইউএনডিপি অন্য আটটি দেশের সহায়তায় ২০০৮ সালে একটি কম্পিটারাইজড ভোটার তালিকা প্রণয়ন করা হয়। তথ্য ভাণ্ডার বারবার ব্যবহার করার লক্ষ্যে একটি ডেটা সেন্টার এবং দ্বৈত ভোটার চিহ্নিত করার লক্ষ্যে একটি অফিস সিস্টেম সেন্টারের সঙ্গে যুক্ত করা হয়।

[৫] এতে আরও বলা হয়, বর্তমান পর্যায়ে জাতীয় পরিচয়পত্রের দায়িত্ব অন্য কোনো মন্ত্রণালয়ে বা প্রতিষ্ঠানের হাতে অর্পণ করা হলে নতুন করে মাঠ পর্যায় থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে অবকাঠামো, প্রযুক্তি এবং যন্ত্রপাতি সংগ্রহের প্রয়োজন হবে, যা ব্যয় ও সময় সাপেক্ষ।

[৬] ইসি জানায়, ভোটার তালিকা প্রণয়নের জন্য কারিগরি জনবল ডাটা প্রসেসিং করে, অন্য দিকে নির্বাচন কমিশনের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা সার্বিক ব্যবস্থাপনার সঙ্গে জড়িত। সেনাবাহিনী থেকে ডেপুটিশনে নিয়োজিত কর্মকর্তারা স্মার্টকার্ড প্রিন্টিংয়ের কাজ করছেন। এসব কর্মকর্তা ২০০৮ সাল থেকে এই কাজের সঙ্গে জড়িত। এই দীর্ঘ ১২ বছর সময়কালে নানান ধরনের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদের দক্ষ ও পারদর্শী করে তোলা হয়েছে। জাতীয় পরিচয়পত্র সংক্রান্ত আলাদা কোনো জনবল না থাকায় এসব কার্যক্রম অন্য কোনো মন্ত্রণালয়ের কাছে ন্যস্ত করা হলে মাঠ ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে বিশাল একটি জনবলের প্রয়োজন হবে যা ব্যয় সাপেক্ষ। একইসঙ্গে তারা দক্ষ এবং পারদর্শী হয়ে না উঠলে জাতীয় পরিচয়পত্রের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ মারাত্মক সমস্যার সম্মুখীন হবে।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত