প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] প্রশাসনের অবকাঠামোতে ব্যয় বাড়লেও সেবার মান বাড়ছে না: ড. ফাহমিদা খাতুন

মিনহাজুল আবেদীন: [২] মঙ্গলবার (৮ জুন) ডিবিসি টিভির টকশোতে সিপিডি’র নির্বাহী পরিচালক এ কথা বলেন।

[৩] ফাহমিদা খাতুন বলেন, কোভিডে নি¤œ আয়ের মানুষসহ যারা দরিদ্র হয়েছেন, বাজেটে তাদের জন্য কোনো বরাদ্দ নেই। প্রশাসনের জন্য যে ব্যয় বাড়ানো হয়েছে এই করোনার মধ্যে তা বাড়ানো কি উচিত হচ্ছে? সব ক্ষেত্রে বেতন বাড়ছে কিন্তু সেবার মানটা কী বেড়েছে, সবাই সেবা পাচ্ছে কিনা সেটার কোনও সঠিক খোঁজ নেওয়া হয় না। অথচ আমাদের প্রতিবেশি দেশগুলোতে প্রশাসনের অবকাঠামোতে ব্যয় কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে তারা সফলও হয়েছে।

[৪] তথ্যমতে, গত বাজেটে ২০২০-২১ সালের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার প্রাক্কলন করা হয়েছিলো ৮ দশমিক ২ শতাংশ। ধারণা করা হয়েছিলো, মহামারি কাটিয়ে ওঠে দেশ আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যাবে। বছর শেষে দেখা যাচ্ছে, বিগত অর্থবছরে আমাদের জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে আনুমানিক ৬ দশমিক ১ শতাংশ।

[৫] বিশ্বব্যাংক বলেছে, ২০২০-২১ সালে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির হার হবে ৩ দশমিক ৬ শতাংশ। অন্যদিকে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) হিসাব অনুযায়ী এ হার হবে ৬ দশমিক ৮ শতাংশ। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের মতে তা হবে ৫ শতাংশ।

[৬] বিআইডিএসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশে গড় দারিদ্র্যের হার ২৫ শতাংশ। অন্যদিকে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সানেমের সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী দারিদ্র্যের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪২ শতাংশ। ২০১৯ সালে দারিদ্র্যের হার ১৯ শতাংশে নেমেছিলো।

[৭] এদিকে এবারের বাজেটের আকার ৬ লাখ ৩ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা। রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৮৯ হাজার কোটি টাকা। বাজেট ঘাটতি ২ লাখ ১৪ হাজার ৬৮১ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৬ দশমিক ২ শতাংশ।

[৮] তিনি বলেন, বাজেট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে তেমন কোনও ব্যবস্থা নেই। তারপরেও কোনও পরিকল্পনা, সিদ্ধান্ত, বরাদ্দের ক্ষেত্রেও মন্ত্রণালয়গুলোর কোনও জবাবদিহিতার জায়গায় নেই। যারা খারাপ কাজ করছে তাদের শাস্তি এবং যারা ভালো কাজ করছে তাদের ইনসেন্টিভ দেয়ার ব্যবস্থা আমরা দেখছি না।

[৯] তিনি আরও বলেন, এই বিষয়গুলো প্রতিরোধ না করে এভাবেই চলতে থাকবে। সুতরাং এ ব্যবস্থাপনায় দক্ষতাও আশা করা যায় না, সেবাও আশা করা যায় না। সম্পাদনা: রাশিদ

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত