প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কমিটিতে ৩৩% নারী: কেন পূরণ হয়নি ব্যাখ্যা চেয়েছে ইসি

নিউজ ডেস্ক: রাজনৈতিক দলগুলো তাদের সব স্তরের কমিটিতে ৩৩ শতাংশ নারী প্রতিনিধিত্ব এক যুগে কতটুকু পূরণ করতে পেরেছে, তা জানতে চেয়েছে নির্বাচন কমিশন। বিডিনিউজ

নির্ধারিত সময়ে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে না পারার কারণও জানাতে বলেছে সাংবিধানিক সংস্থাটি, যারা নিবন্ধন দিয়ে থাকে।

ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ জানান, এক মাসের মধ্যে নিবন্ধিত দলগুলোকে ‘শর্ত প্রতিপালন’ সংক্রান্ত বিষয়ে অবহিত করার জন্য দলের সভাপতি/সাধারণ সম্পাদকের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

ইসিতে বর্তমানে ৩৯টি রাজনৈতিক দল নিবন্ধিত রয়েছে। নিবন্ধনের শর্তে কমিটিগুলোতে ৩৩ শতাংশ নারী রাখার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মঙ্গলবার ইসির উপ সচিব আব্দুল হালিম খানের স্বাক্ষরে পাঠানো চিঠিতে সেকথা স্মরণ করিয়ে বলা হয়, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী ২০২০ সালের মধ্যে দলের সব স্তরের কমিটিতে ন্যূনতম ৩৩% নারী সদসের জন্য সংরক্ষণের শর্ত মেনে দলগুলো নিবন্ধন নিয়েছে।

২০০৮ সালে রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন প্রথা চালু হওয়ার সময়ই এই শর্ত দেওয়া হয়েছিল। বারবার সময় নিলেও ৩৩ শতাংশ নারী প্রতিনিধিত্ব অধিকাংশ দলই নিশ্চিত করতে পারেনি।

মাত্র দুটি দল সব কমিটিতে ৩৩ শতাংশ নারী প্রতিনিধি রাখার দাবি করলেও তা যাচাই করেনি ইসি।

এ বাস্তবতায় আইন সংস্কার নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তাতে লক্ষ্যমাত্রা পূরণে আরও সময় দেওয়ারও প্রস্তাবও আসে।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ৯০-এর খ-এর খ(২) অনুচ্ছেদে কেন্দ্রীয় কমিটিসহ রাজনৈতিক দলের সব স্তরের কমিটিতে অন্তত ৩৩ শতাংশ পদ নারী সদস্যদের জন্য সংরক্ষণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ এবং ২০২০ সালের মধ্যে সেই লক্ষ্য অর্জনের কথা বলা হয়েছে।

আরপিও অনুযায়ী, নিবন্ধন শর্ত প্রতিপালন সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট কোনো বিধান লঙ্ঘিত হলে সংশ্লিষ্ট দলের নিবন্ধন বাতিলের এখতিয়ারও ইসির কাছে রয়েছে। সেই সঙ্গে বিধিমালা মেনে নিবন্ধন শর্ত প্রতিপালন বিষয়ে ইসিতে জাননোর বাধ্যবাধকতাও রয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত