প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] প্রবাসী নারী কর্মীর সংখ্যার সাথে ভোগান্তিও বাড়ছে

মিনহাজুল আবেদীন: [২] সরকার বিদেশে নারী কর্মী পাঠানোকে অগ্রাধিকার দিলেও ভোগান্তিতে নারী কর্মীরা।

[৩] প্রবাসী এক নারী কর্মী বলেন, সরকার নারীদের বিনা খরচে বিভিন্ন দেশে কাজের সুযোগ দিলেও প্রতিটি ক্ষেত্রে আমাদের বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। দালাল ধরেই এজেন্সির মাধ্যমে যেতে হয় বিদেশ। দালাল সব নারীর পরিবারের দুর্বলতার সুযোগ কাজে লাগায়, টাকা দাবি করে।

[৪] কাতার প্রবাসী হনুফা বলেন, পরিবারের কষ্টের জন্য বিদেশ যায়। কিন্তু দালালকে টাকা দিতে না পারলে নিজের শরীর বিলিয়ে দিতে হয়।

[৫] সৌদি প্রবাসী লুতফা বলেন, সব বাধা পেরিয়ে বিদেশ গেলেও শান্তি নেই। বিদেশ যেয়ে মালিক ভালো না হলে সমস্যা হয়। মালিক কম খেতে দেয়। অনেকে ঠিক মতো বেতন দেয় না। আবার সুন্দর চেহারা হলে নিজের স্ত্রী রেখে তার সঙ্গে দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করে। দূতাবাস এবিষয়ে তেমন গুরুত্ব দেয় না।

[৬] ফোরাবের সভাপতি টিপু সুলতান বলেন, সব প্রতিষ্ঠানেই সমস্যা থাকে, তেমনি আমাদের মধ্যেও কিছু সীমাবদ্ধতা আছে। সেগুলো সমাধানের চেষ্টা চলছে। সরকারকে আমাদের নারী কর্মীদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দিতে হবে। তাদের বেতন নিজস্ব অ্যাকাউন্টে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে। কোনও নারী কর্মী বিপদে পড়লে দ্রæত ব্যবস্থা নিতে হবে। সৌদি আরবের বড় শহরগুলোতে দূতাবাসের শাখা স্থাপন করতে হবে। যেন অভিযোগ পাওয়া মাত্রই দ্রæত পদক্ষেপ নিতে পারে। সম্পাদনা: মেহেদী হাসান

 

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত