প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] অতিমারি শুরু হওয়ার পর এশীয় বৈষম্যের বিষয়ে মুখ খুলছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত এশিয়ানরা

মাহামুদুল পরশ: [২] গত বছরের এপ্রিল থেকেই যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলোতে এশীয় বৈষম্যের ঘটনাগুলো বিশেষ করে লক্ষ্য করা যায়। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন রাজ্যে এশীয়দের মধ্যে কোনো কারণ ছাড়াই বেশ কয়েকটি হামলার ঘটনা ঘটে, যার মধ্যে আটলান্টার মেট্রোপলিটন এলাকার এশিয়ান ম্যাসাজ পার্লারে সশস্ত্র হামলার ঘটনায় ৬ জন এশিয়ান নারী মারা যান। সিএনএন

[৩] এশীয় বিদ্বেষী এই ঘটনাগুলোকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সিএনএন। প্রতিবেদনটিতে তুলে ধরা হয়েছে সরাসরি হামলার পাশাপাশি কীভাবে বিশ্বজুড়ে এশিয়ানরা তাদের কর্মস্থলে বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। সেখানে বেশ কয়েকজন বৈষম্যের শিকার এশীয়দের ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে।

[৪] সিএনএন এর প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ব্রাজিলের সাও পাওলোর একজন এশীয় জিম প্রশিক্ষকের কাছ থেকে কেউ প্রশিক্ষণ নিচ্ছে না, এর একমাত্র কারণ তার জাতিগত পরিচয়,, তিনি এশীয়। ঐ প্রতিবেদনে কুয়েতের সালওয়াতে অবস্থিত আরও একজন এশিয়ানের ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে তার সহকর্মী তাকে হত্যার হুমকি দিয়েছে।

[৫] অতিমারি শুরু হওয়ার পর থেকেই পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে এশীয়রা সরাসরি হামলার পাশাপাশি পরোক্ষভাবে তাদের কর্মস্থল এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বৈষম্যের শিকার হচ্ছে বলে প্রকাশ করা হচ্ছে। এই বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সমাজবিজ্ঞানীরা বলছেন, অতিমারি শুরুর পর থেকেই বিশ্বজুড়ে এটি উপস্থাপন করা হয়েছে যে এটি চীনের তৈরি একটি ভাইরাস। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প করোনা ভাইরাসকে সরাসরি উহান ভাইরাস নামে আখ্যায়িত করেছিলো। তাই বিশ্ব জুড়ে চীনা নাগরিকদের ওপর বৈষম্যের শিকার হতে হচ্ছে বলে দাবি করছেন সামাজিক বিজ্ঞানীরা। সম্পাদনা: সুমাইয়া ঐশী

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত