প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মাহফুজ মিশু: আম চাষীকে ভর্তুকি দিয়ে বৃহত্তর রাজশাহীতে ১৪৪ ধারা দিন

মাহফুজ মিশু: আম ব্যবসার ক্ষতির কথা বলে রাজশাহী, নাটোর, চাপাইনবাবগঞ্জ ও নওগাঁয় সর্বাত্মক লকডাউন হচ্ছে না। স্বাস্থ্য বিভাগ নানা সতর্কবাণী উচ্চারণ করলেও তা আমলেই নেয়নি স্থানীয় প্রশাসন। খুব শিগগিরই তা করার কথাও যতদূর জানি ভাবছে না তারা। অথচ দেশে করোনা শনাক্তের ৮০ শতাংশ এখন ভারত থেকে আসা ভ্যারিয়েন্ট। রাজশাহীতেই মারা যাচ্ছে মোট মৃতের প্রায় ৫০ শতাংশ! গরিবের করোনা হয় না, শহরের বাইরের মানুষ এই রোগে মরে না, এসব ধারণা শতভাগ ভুল। প্রতিবেশি ভারতের ঘটনা তার বড় উদাহরণ। আশপাশের জেলাগুলোতে চিকিৎসার ভালো ব্যবস্থা না থাকায় রাজশাহীতে চিকিৎসার চাপ বাড়ছে এবং তা যে হবে, সেটা জানা কথা। এমন অবস্থায় কোনো কারণেই বৃহত্তর রাজশাহীর পরিস্থিতিকে স্বাভাবিক সাধারণ নির্দেশনা দিয়ে মোকাবেলা করা সম্ভব নয়। ৩/৪ টি বা ১০টি জেলা ভয়াবহ হলে সেটাও হয়তো মোকাবেলা করতে পারব আমরা। কিন্তু বিশ্বাস করেন, সারা দেশ বা বড় দুই শহর চট্টগ্রাম ও ঢাকায় সংক্রমণ সেভাবে ছড়িয়ে পড়লে তা নাগালের বাইরে চলে যাবে।
আমার নিজের জেলা বা শহর বলেই বলছি না, বাঁচার তাগিদেই অনুরোধ, লকডাউন/সাধারণ ছুটি বা বিশেষ বিধিনিষেধের মত ‘গা বাঁচানো’ প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিয়ে এখন নাটোর নওগা চাঁপাই তথা বৃহত্তর রাজশাহীর পরিস্থিতি সামাল দিতে পারবেন না। আমের যে ক্ষতি, তা মানি। প্রয়োজনে সেই টাকা ভর্তুকি দিন। বিশ্বাস করেন, জেলা- উপজেলা প্রশাসন চাইলে ইউপি চেয়ারম্যান/কাউন্সিলরদের সহায়তায় ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা করা সহজ ব্যাপার। কাজেই করোনা নিয়ন্ত্রণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সুপারিশ, জনস্বাস্থ্যবিদদের পূর্বাভাস আর পরামর্শ অবহেলা করে গোয়ার্তুমি করলে পরিণতি ভাল হয় না, প্রতিবেশী ভারত সেটা টের পাচ্ছে। মনে রাখতে হবে, সময় গেলে কিন্তু সাধন হবে না। ফেসবুক থেকে

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত