প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] এক কোটি ৩৫ হাজার ডোজ কোভিশিল্ড টিকা দেওয়া সম্পন্ন: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

শাহীন খন্দকার: [২] দেশে করোনাভাইরাসের টিকাদান কর্মসূচি শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত টিকা দেয়া হয়েছে এক কোটি ৩৫ হাজার ৫৪৫ ডোজ। এরমধ্যে দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৪২ লাখ ৯ হাজার ৩৩৩ জন। আর প্রথম ডোজ নিয়েছেন ৫৮ লাখ ২০ হাজার ১৫ জন। শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের টিকা বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা যায়।

[৩] দেশে গত ৭ ফেব্রুয়ারি জাতীয়ভাবে করোনার টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৮টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত এই কার্যক্রম চলে। দ্বিতীয় ডোজ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয় গত ৮ এপ্রিল থেকে।সারাদেশে করোনাভাইরাসের টিকা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকা উদ্ভাবিত ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি কোভিশিল্ড টিকায়। সেরামের সঙ্গে তিন কোটি ডোজের চুক্তি হয়েছিল বাংলাদেশ সরকারের।

[৪] প্রতিমাসে সেখান থেকে ৫০ লাখ ডোজ টিকা আসার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত এসেছে মাত্র এক কোটি ২ লাখ ডোজ। সে হিসাবে দেশে এখন টিকার ডোজ মজুত প্রায় শেষের দিকে ইপিআই সূত্রে আরও জানা যায় সারাদেশে টিকা নষ্ট হয়েছে শতকারা ২ ভাগ।

[৫] এদিকে শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দ্বিতীয় ডোজ নেওয়া ৪২ লাখ ৯৩৩৩ জনের মধ্যে পুরুষ ২৬ লাখ ৮৯৭২২ জন আর নারী ১৫ লাখ ১৯২১১জন। আর প্রথম ডোজ টিকা নেওয়া ৫৮ লাখ ২০ হাজার ১৫ জনের মধ্যে পুরুষ ৩৬ লাখ নয় হাজার ৬৫ জন আর নারী ২২ লাখ ১০ হাজার ৯৫০ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, এপর্যন্ত দেশে টিকার জন্য নিবন্ধন করেছেন ৭২ লাখ ৪৮ হাজার ৮২৯ জন।

[৬] এদিকে, টিকা সংকটের কারণে প্রথম ডোজ নেওয়া সবাই এখনই দ্বিতীয় ডোজ নিতে পারছেন না বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিশেষ একটি সূত্রে আরও জানা যায় ১৫ লাখের মতোন মানুষের অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি কোভিশিল্ড টিকা পেতে দেরি হবে। টিকার মজুত এই সপ্তাহের পর শেষ হওয়ার কারণেই দেরি হবে বলে জানানো হয়। তবে ১২ থেকে ১৬ সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয় ডোজ টিকা পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী অধিদপ্তর।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত