প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ২০২০ সালে স্টেট ইউনিভার্সিটির ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষকদের ২৮টি প্রবন্ধ আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত

আমিরুল ইসলাম: [২] ২০২০ সালে স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (এসইউবি)-এর ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষকদের ২৮টি গবেষণা প্রবন্ধ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে, যা বাংলাদেশের যেকোনো সরকারি বা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্যই একটি অত্যন্ত মর্যাদাকর একাডেকিমক সাফল্য।

[৩] এসইউবির ফার্মেসি বিভাগ মাত্র ১৬ বছর আগে যাত্রা শুরু করলেও ইতোমধ্যে এর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অভিজ্ঞ শিক্ষক কতিপয় মেধাবী তরুণ শিক্ষককে এখানে যুক্ত কওে এর শিক্ষাদান ও গবেষণার মানকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছেন।

[৪] এ বিভাগের কার্যক্রম বর্তমানে শুধু বিশ্বমানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণই নয় এ ক্ষেত্রে বৈশ্বিক শিক্ষার সর্বশেষ ধারার সঙ্গেও তা যুক্ত হতে পেরেছে। এ বিভাগের শিক্ষকদেও বিভিন্ন গবেষণা ও তার ফলাফল কোভিড ১৯- এর বিরাজমান মহামারি সংক্রান্ত গবেষণার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

[৫] এসইউবির ফার্মেসি বিভাগের গবেষণাগারটিও অনেক আগে থেকেই যথেষ্ট সমৃদ্ধ। তারপরও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এটিকেআরও সমৃদ্ধ ও আধুনিক করে তোলার ব্যাপাওে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, যা এ করোনার মধ্যেও থেমে নেই। সম্প্রতি এখানে আরো নতুনযন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামাদি যুক্ত করার উদ্যোগগ্রহণ করা হয়েছে। আশাকরা যায়, এ উদ্যোগের ফলে এখানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের গবেষণা, পাঠদান, পাঠলাভ ইত্যাদি সবক্ষেত্রেই ব্যাপক ভিত্তিক সুবিধা ও সহজগম্যতা বৃদ্ধি পাবে।

[৬] এসইউবি ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষকদের যে ২৮টি প্রবন্ধ সম্প্রতি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে সেগুলোর বিষয়বস্তুর মধ্যে রয়েছে। ফার্মাকোলজিক্যালও কম্পিউটার ভিত্তিক অনুসন্ধানের মাধ্যমে তুমা গাছের নতুন ওষধি গুণ অনুসন্ধান, নিউরোডিজেনারেটিভ রোগের ক্ষেত্রে পাম তেলের ফেনোলিঙ্গ যৌগের নিউরো প্রোটেকটিভ ক্রিয়াকলাপের সম্ভাব্য কৌশল অনুসন্ধান, নেফ্রোটিক সিন্ড্রোমে আক্রান্ত বাংলাদেশি শিশুদেও মধ্যে এনপিএইচএস-২ জিন আর-২২৯-কিউ পলিমর ফিজমের বিস্তার রোধ, করোনা জীবাণুর সংক্রমণের বিরুদ্ধে পুনঃব্যবহারযোগ্য ওষুধেরসম্ভাবনাও অগ্রগতি পর্যালোচনা, প্রাণীর দেহে বড়নখা উদ্ভিদেও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরিও কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রেও ডিপ্রেসিভ ক্রিয়া কলাপ অনুসন্ধান ইত্যাদি।

[৭] এখানকার ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থীরা শুধু যে বর্ধিত পরিসওে গবেষণাগার ব্যবহারের সুবিধাই পাচ্ছেন, তা নয়। বরং এখানকার প্রতিটি শিক্ষার্থীর জন্য শ্রেণিকক্ষে আহরিত তাত্ত্বিক জ্ঞানের প্রতিটি প্রসঙ্গ গবেষণাগারে হাতে কলমে মিলিয়ে শেখাটা বাধ্যতামূলকও।

[৮] ফলে দিন শেষে এখানকার প্রত্যেক শিক্ষার্থীই বস্তুতঃ একেকজন পেশাজীবীর মতো হয়ে ওঠার সুযোগ পাচ্ছেন, যে কারণে দেশে বিকাশমান ঔষুধ শিল্পগুলোতে এসইউবির ফার্মেসি স্নাতকরা দিনদিনই অধিকতর যোগ্যতা ও দক্ষতার স্বাক্ষর রাখতে সক্ষম হচ্ছেন।

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত