প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ভারতের প্রভাববলয় মুক্ত বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কাকে সহায়তার মাধ্যমে আঞ্চলিক প্রভাব বৃদ্ধির সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ার বাইরেও নজর দিচ্ছে

আসিফুজ্জামান পৃথিল: [২]ভারসাম্য রাখছে বেইজিং আর নয়াদিল্লির মধ্যে, মর্ডান ডিপ্লোমেসির বিশ্লেষণ [৪] বাংলাদেশে প্রত্যাশার চেয়ে উচ্চ মাত্রায় রেমিটেন্স আসার ফলে ২০২০-২০২১ অর্থবছরে জিডিপি পর্যালোচনা করেছে বিশ্বব্যাংক। আগে দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশে জিডিপি প্রবৃদ্ধি পূর্বাভাস করা হয়েছিল ১.৭ শতাংশ। তা পর্যালোচনায় ধরা হয়েছে ৩.৬ শতাংশ। ২০১৯ সাে লতা বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৮.৪ শতাংশ। মর্ডান ডিপ্লোমেসি

[৩] সাম্প্রতিক সময়ে, ঢাকা এমন বার্তা দিতে চাইছে, অর্থনৈতিক উত্থান নিয়ে তারা সন্তুষ্ট নয়। এছাড়াও তারা দক্ষিণ এশিয়ায় সার্বিক উন্নয়নের একটি বার্তা দিতে চায়। প্রথমত, তিন মাস সময়ের জন্য শ্রীলঙ্কাকে ২০ কোটি ডলার অর্থ দিতে রাজি হয়েছে বাংলাদেশ। ২০২০ সালে চীনের কাছ থেকে সহায়তা নিয়েছে শ্রীলঙ্কা। এর মধ্যে রয়েছে ১০০ কোটি ডলার ঋণ, ১৫০ কোটি ডলার মুদ্রা বিনিময়। ২০২০ সালে দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কাকে ৪০ কোটি ডলার ঋণ বৃদ্ধি করেছে ভারত। শ্রীলঙ্কাকে দেওয়া বাংলাদেশের সহায়তা উল্লেখযোগ্য নাও হতে পারে। কিন্তু এক্ষেত্রে এ থেকে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেয়া হচ্ছে যে, এ অঞ্চলে এবং এর বাইরে বাংলাদেশ আর ভারতের ছায়ার নিচে নেই।

[৪] স¤প্রতি ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং-এর মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া, এটাই দেখিয়ে দেয় যে, আন্তরিক ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখার পাশাপাশি, তারা চীনকে সমীহ করে চলবে বলে মনে হয় না। চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক যে শক্তিশালী হয়েছে, এ নিয়ে সন্দেহের কোন অবকাশ নেই।

[৫] একই সময়ে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের উত্থান হয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার বাংলাদেশ। ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরে এই দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য হয়েছে ৯৪৫ কোটি ডলার। বাণিজ্যিক উদ্যোগ ছাড়াও রেল, নৌ এবং সড়কপথে সংযুক্তি বা কানেক্টিভিটি বাড়ানো হয়েছে।

[৬] ইন্দো-প্যাসিফিক ভিশনে বাংলাদেশকে যুক্ত করার কথা বলেছে যুক্তরাষ্ট্র। অথচ যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার কড়াভাবে বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি আখ্যা দিয়েছিলেন। এ বছর ফেব্রæয়ারিতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেনকে ফোন করে কথা বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি বিøনকেন। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেনের সঙ্গে কথা বলে এবং বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তীতে তাকে অভিনন্দন জানিয়ে ভাল লাগছে। আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যকার স্থায়ী শক্তিশালী সম্পর্কের বিষয়ে নিশ্চয়তা দিচ্ছি। দক্ষিণ এশিয়া এবং ইন্দো-প্যাসিফিকের চ্যালেঞ্জগুলো একসঙ্গে মোকাবিলা করতে চাই।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত