প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] কলাবাগানের চিকিৎসক হত্যায় চার দিনেও রহস্য উদঘাটন হয়নি, বাদীর সন্দেহ সাবলেটের তরুণী

মাসুদ আলম: [২] গ্রিন লাইফ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক সাবিরা রহমান লিপির হত্যাকাণ্ডের ৪ দিন পেরিয়ে গেলে কোনো কুলকিনারা হয়নি। এ ঘটনায় ১৪ থেকে ১৫ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। এছাড়া ভিকটিমের রুমে পাওয়া পোড়া সিগারেটের দুটি অবশিষ্টাংশ নিয়ে রহস্য সৃষ্টি হয়েছে। ভিকটিম নাকি অন্য কেউ ধুমপান করেছে তা ফিঙ্গার প্রিন্টের মাধ্যমে উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।

[৩] তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ডাক্তার সাবিরা হত্যাকাণ্ডে পরিবারের কেউই সন্দেহের ঊর্ধ্বে নয়। কারো সঙ্গে শত্রুতা বা রেষারেষি ছিল কি-না খতিয়ে দেখা হচ্ছে। নিহতের সাবলেট কানিজ সুবর্ণাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে ডিবি পুলিশ। সুবর্ণা ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি থেকে গ্রাজুয়েশন সম্পন্ন করে মডেলিংয়ের পাশাপাশি দারাজ অনলাইনে কাজ করেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে কানিজ সুবর্ণা চিকিৎসক সাবিরার ভাড়া বাসায় সাবলেটে উঠেন। ওই বাসায় অনেকেরই আসা যাওয়া ছিলো। সাবিরার মোবাইল কললিস্ট যাচাই বাচাই করা হচ্ছে।

[৪] ডিবি পুলিশ জানায়, সুবর্ণার সম্পৃক্ততা এখনো পাওয়া যায়নি। তবে ওই বাসায় দীর্ঘদিন থাকার কারণে সাবিরার বাসায় কে কে যাতায়াত করতেন তিনি তা জানতেন। তবে রোববার রাতে সাবিরার কাছে কে এসেছিলেন তাকে দেখেনি বলে দাবি করেন। ওই ভবনে সিসিটিভির না থাকায় অপরাধীদের শনাক্তের বেগ পেতে হচ্ছে। তবে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে।

[৫] নিহতের মামাতো ভাই ও মামলার বাদী রেজাউল হাসান জানান, সাবিরাকে পরিকল্পীতভাবে হত্যা করা হয়। খুনিরা তাকে গলাকেটে হত্যার পর আলামত নষ্ট করতে আগুন নাটকের চেষ্টা করে। এই খুনের সঙ্গে একই ফ্ল্যাটে সাবলেটে থাকা কানিজ সুবর্ণা অথবা অন্য কোনো এক বা একাধিক ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারে। তবে সাবলেটের অপর বাসিন্দা নূরজাহান গ্রামের বাড়িতে থাকায় তাকে তিনি সন্দেহ করেননি। গত সোমবার সকালে কলাবাগান ফার্স্ট লেনের ৫০/১ ভাড়া বাসা থেকে চিকিৎসক সাবিরার রক্তাক্ত ও দগ্ধ মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

[৬] কলাবাগান থানার ওসি পরিতোষ চন্দ্র চলেন, সাবিবর হত্যার ঘটনায় একাধিক বিষয়কে নিয়ে তদন্ত চলছে। তবে এ ব্যাপারে স্পষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত