প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বিভাগীয় শহরের বাইরে হাসপাতাল-ক্লিনিক প্রতিষ্ঠায় ১০ বছর কর মুক্তি

শাহীন খন্দকার: [২] এই সুযোগ থাকছে ২০৩১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত। চলমান করোনা সংকটে প্রকটভাবে উন্মোচিত হয়েছে স্বাস্থ্য খাতের দুর্বলতার চিত্র। হাসপাতালে শয্যাসহ অভাব ছিল চিকিৎসা সরঞ্জামাদির। তাই স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে আগামী বাজেটে নতুন করে কর অবকাশ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রাম, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জ এবং বিভাগীয় শহরের বাইরে হাসপাতাল-ক্লিনিক নির্মাণে বিনিয়োগ করলে থাকবে এই সুযোগ।

[৩] হাসপাতালে শয্যাসংখ্যা কমপক্ষে ২০০ হতে হবে। শয্যাসংখ্যার অন্তত ৫ থেকে ১০ শতাংশ নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ) শয্যা থাকতে হবে। কর্মসংস্থানের সুযোগ, বিনিয়োগের পরিমাণ সম্পর্কিত তথ্য জানাতে হবে এনবিআরকে। তাছাড়া ওই সব হাসপাতালের যন্ত্রপাতি আমদানিতেও শুল্ক-কর অব্যাহতি দেওয়া হতে পারে।

[৪] জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। জানা গেছে, এই সুবিধা শুধু সাধারণ ও বিশেষায়িত দুই ধরনের হাসপাতালে বিনিয়োগকারীরা পাবেন। তবে কিছু শর্ত জুড়ে দিতে পারে এনবিআর। সার্বিকভাবে একটি বিনিয়োগ পরিকল্পনা জমা দিয়ে এনবিআরের কাছ থেকে কর অবকাশ সুবিধার আবেদন করতে হবে।

[৫] তথ্যসুত্রে জানা যায় স্বাস্থ্য খাতের মধ্যে ওষুধ কোম্পানি কর অবকাশ সুবিধা পায়। বর্তমানে হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়মিত করপোরেট করহার আরোপ করা আছে। যেমন শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হলে ২৫ শতাংশ এবং শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত না হলে সাড়ে ৩২ শতাংশ।

[৬] কোভিড-১৯ এর প্রকোপ সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থা। করোনায় জীবনরক্ষাকারী সামগ্রী যেমন; পিপিই, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, গগলস, ফেসশিল্ডসহ যাবতীয় ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রীর ওপর সব ধরনের শুল্ক-কর প্রত্যাহার করা হয়েছে। আগামী অর্থবছরে অব্যাহত থাকবে এই সুবিধা। সম্পাদনা: মেহেদী হাসান

সর্বাধিক পঠিত