প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] করোনার সার্টিফিকেট মিলল চানখারপুলে ওষুধের দোকানে

শাহীন খন্দকার: [২] ঢাকা মেডিকেলের নাক-কান ও গলা বিভাগে ক্যানসার আক্রান্ত বাবাকে নিয়ে গত দুই মাস ধরে ভর্তি আছেন শাহজাহান মিজি। অপারেশনের ঠিক আগ মুহূর্তে তার বাবার করোনা পজিটিভ আসলে তারিখ পিছিয়ে দেওয়া হয়। স্বজনদের পরামর্শে বাইরে থেকে আবারও করোনা পরীক্ষা করা হয়। এবার নেগেটিভ। অপারেশন থিয়েটারে নেয়ার পর সার্টিফিকেট দেখে সন্দেহ হয় চিকিৎসকদের। আবারও পরীক্ষা করা হলে পজিটিভ আসে।

[৩] অপারেশন থিয়েটারে ধরা পড়ল ক্যানসার রোগীর করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেটটি জাল। আর জাল এ সনদের উৎস খুঁজতে গিয়ে গোয়েন্দা পুলিশ সন্ধান পায় একটি ওষুধের দোকানের। যেখানে দুই হাজার টাকার বিনিময়ে করোনা নেগেটিভকে পজিটিভ আর পজিটিভকে করা হয় নেগেটিভ। যাদের নেই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনুমতি, নেই আরটিপিসিআর মেশিনও।

[৪] করোনার এই জাল সনদের উৎস খুঁজতে গিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। পরে জানা যায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই চানখারপুলের একটি ওষুধের দোকানে বসে তারা তৈরি করে করোনার সার্টিফিকেট। করোনা পরীক্ষায় ২ হাজার টাকার নেগেটিভ হয়ে যায় পজিটিভ আর পজিটিভ হয়ে যায় নেগেটিভ।

[৫] ঢাকা মেডিকেলের ভাইরোলজি বিভাগের প্রধান এবং হাসপাতালটির পরিচালকের সিল স্বাক্ষর নকল করে তারা জাল সনদ তৈরি করে আসছিল। তাদের তৈরি করা সনদের অধিকাংশ বানানও ভুল। পুলিশ বলছে,একসময় ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কাজ করার সুবাধে করোনা সার্টিফিকেট সম্পর্কে ধারণা ছিল প্রতারকচক্রের প্রধান মনিরের। সময় টিভি

[৬] ডিবির লালবাগ বিভাগের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার সাইফুর রহমান আজাদ বলেন, অতীতেও তারা নানা রগের জালসার্টিফিকেট বানিয়েছে; এটাও সে বানিয়ে তাদের দিয়ে দিয়েছে। আমরা যখন প্রতারক মনিরের সহযোগী রফিকুল ইসলাম রুবেলকে গ্রেপ্তার করি, এরপর তার ব্যবহৃত কম্পিউটারের ডিভাইস চেক করা হয়।
[৭] ডিভাইসে বের হয়ে আসে অনেক করোনার সার্টিফিকেট বের হয়ে আসে। শুধু করোনার জাল সার্টিফিকেট নয়, গ্রেপ্তারকৃতরা জাল জাতীয় পরিচয়পত্র, গলাকাটা পাসপোর্টসহ বিভিন্ন ধরনের ভুয়া সনদও তৈরি করত এখানে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত