প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বাংলাদেশের জিডিপির হিসাবায়নের ক্ষেত্রে পদ্ধতিগত, পারসেপশন ও রিয়ালিস্টিকের পার্থক্য আছে: ড. আবদুল মজিদ

আমিরুল ইসলাম : [২] এনবিআরের সাবেক এই চেয়ারম্যান আরও বলেন, ২০২৫ সালে মাথাপিছু আয়ে দিল্লি ঢাকার অনেক পেছনে পড়ে যাওয়া অসম্ভব কিছু নয়। কারণ জিডিপির হিসাবায়ন ও পদ্ধতির মারপ্যাচের কারণে বাংলাদেশের মতো অর্থনীতিতে জিডিপি হৈ হৈ করে লাফ দিচ্ছে এবং জনসংখ্যার সঙ্গে ভাগ করলে মাথাপিছু আয় অংকের হিসেবে বাড়ছে।

[৩] ভারতের ক্ষেত্রে জিডিপি যে হারে বাড়ছে, জনসংখ্যার সঙ্গে ভাগ করলে মাথাপিছু আয় কমে যাচ্ছে। জনসংখ্যা বেশি হওয়ায় জিডিপি সে হারে বাড়ছে না। সে কারণে একপর্যায়ে গিয়ে সংখ্যাতাত্তি¡ক দিক দিয়ে ভারতে জিডিপি কমে যাবে এবং বাংলাদেশ ওপরে উঠেছে বলে মনে হবে।

[৪] বাংলাদেশের জিডিপির গ্রোথের হিসাবায়নের জন্য ইতোমধ্যে প্লানিং কমিশন চার-পাঁচটা প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। হিসাবটাকে বড় করে দেখাবার বিষয়ে তারা স্টাডি করেছে, কিন্তু কোয়ালিটি ইম্প্রুভমেন্টের বিষয়টি দেখানো হয়নি। সে কারণে সাধারণ মানুষ ও অর্থনীতিবিদরা জিডিপি বৃদ্ধির সমালোচনা করছেন।

[৫] সব লোকের আয় কমে যাচ্ছে, সেখানে জিডিপি কীভাবে বাড়ে? জিডিপি বেড়ে থাকলে অর্থনীতির চেহারার সঙ্গে তা মিলছে না। [৬] জিডিপির একটা বড় অংশ হচ্ছে বিনিয়োগ। বাংলাদেশে সেখানে বড় বড় প্রকল্পকে দেখাচ্ছে। এর মাধ্যমে যে পণ্য ও সেবা উৎপাদন হবে সেটা সময় সাপেক্ষ হয়ে যাচ্ছে। ফলে জিডিপির আকারের সঙ্গে ওই উন্নতির মিল দেখা যাচ্ছে না। যার জন্য হিসেব করলে বাংলাদেশের জিডিপি বেড়েছে। যেখানে সারা পৃথিবীর অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেখানে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ২৪০ ডলার বেড়ে গেলো কীভাবে?

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত