প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] রাঙামাটির বরকলে ভূষণছড়া গণহত্যা দিবসে মানববন্ধন করেছে নাগরিক পরিষদ

চৌধুরী হারুন: [২] সোমবার সকাল সাড়ে ১০ ঘটিকায় জেলা প্রশাসকের কায্যলয়ের মানব অনুষ্ঠিত হয় । পাবত্য নাগরিক পরিষদের আয়োজনে মানব বন্ধনে বিভিন্ন ফেষ্টুন ব্যানার নিয়ে এই হত্যাকান্ডের বিচার দাবি করেন। এছাড়া এসব পরিবারকে ক্ষতিপুরুনের দাবী জানান।

[৩] পার্বত্য নাগরিক পরিষদের সহ-সভাপতি আমির মোহাম্মদ ছাবের সভাপতিত্বে মানব বন্ধন আয়োজন করা হয় ।

[৪] পা.নাগরিক পরিষদের সাংগঠিক সম্পাদক মাও্লানা আবু বক্কর ব্ক্তব্য বলেন, ১৯৮৪ সালের ৩১ মে দিবাগত রাত আনুমানিক ৪টা থেকে পরদিন সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ঘুমন্ত মানুষের ওপর জেলার বরকল উপজেলার ভূষণছড়া ও তার পার্শ্ববর্তী শান্তি বাহিনীর নেতৃত্বে পরিচালিত হয় পার্বত্য চট্টগ্রামের সবচেয়ে কলঙ্কজনক অধ্যায় ভূষণছড়া গণহত্যা ।

[৫] তিনি এই ঘটনায় ৩৮ হাজার বাঙ্গালীর হত্যাকারী খুনি সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) এর সশস্ত্র সংগঠন শান্তি বাহিনীর গেরিলা যোদ্ধারা ও উপজাতি সন্ত্রাসীদের দায়ী করেন।

[৬] সিনিয়ার সভাপতি কাজি জালোয়া বলেন,দেশে তখন সামরিক শাসন ও সংবাদ প্রচারের উপর সেন্সরর ব্যবস্থা আরোপিত থাকায় এবং পাহাড়ের অভ্যন্তরে যাতায়াত ও অবস্থান নিরাপদ না হওয়ায় অধিকাংশ গণহত্যা ও নিপীডন খবর পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয়নি। আর এই সুযোগে নির্যাতনকারী পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) এর সশস্ত্র সংগঠন শান্তি বাহিনীর গেরিলা যোদ্ধারা ও আঞ্চলিক দলের সন্ত্রাসীরা নিজেদের নৃশংসতার স্বরূপকে ঢেকে তিলকে তাল করে নিজেদের পক্ষে প্রচার চালিয়ে আসছে বিশ্বব্যাপী।

[৭] এতে বিশ্ব ব্যাপী ধারণা জন্মেছে যে, পার্বত্যাঞ্চলের আঞ্চলিক দলের নির্যাতনের শিকার। যার ফলে দেশ এবং সরকারের ভাবমূর্তি যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তেমনি আন্তর্জাতিকভাবে সুনাম অর্জনকারী সেনাবাহিনীর চরিত্রেও কলঙ্ক আরোপিত হয়েছে।

[৮] তাছাড়া ১৯৯৭ সালে তথাকথিত শান্তিুচুক্তি করে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) এর সশস্ত্র সংগঠন শান্তি বাহিনীর গেরিলা যোদ্ধাদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করা হলেও আজও পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি আসেনি। বন্ধ হয়নি হত্যাকাণ্ড। কাগজে-কলমে শান্তিবাহিনী না থাকলেও পার্বত্য চট্টগ্রামে সশস্ত্র সংগঠনগুলোর দৌড়াত্ম্য কমেনি, বরং তাদের হাতে বাঙালিরা যেমন হত্যার শিকার হচ্ছে, তেমনি নিহত হচ্ছে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীগুলোর মানুষজনও।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত