প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] মাঠের বাইরে থেকেও রোমাঞ্চিত রাজ্জাক-নাফিস

নিজস্ব প্রতিবেদক : [২] মিরপুর শের-ই-বাংলায় একই মঞ্চে দাঁড়িয়ে ক্রিকেটকে বিদায় বলেছেন তারা দুজন। মূল মাঠে তখন জাতীয় দল লড়ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। মিডিয়া সেন্টারের সামনে তৈরি মঞ্চে অশ্রুসিক্ত নয়নে বিদায় নেন বাংলাদেশের ক্রিকেটের দুই বড় তারকা।

[৩] আব্দুর রাজ্জাক ও শাহরিয়ার নাফিসের কথা যে বলছি এতক্ষণে নিশ্চয় ধরে ফেলেছেন। ক্রিকেট ছাড়লেও ক্রিকেটাঙ্গন ছাড়তে পারেননি তারা। রাজ্জাক জাতীয় দলের নির্বাচক। নাফীস ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের সহকারী ম্যানেজার।

[৪] শুরু হয়েছে ঘরোয়া ক্রিকেটের সবচেয়ে জমজমাট আসর ঢাকা লিগ। অবসরে যাওয়া রাজ্জাক-নাফিস জাতীয় দলের বাইরে থাকলেও ডিপিএলে ছিলেন নিয়মিত মুখ।

[৫] করোনাভাইরাসের কারণে গত বছর এক রাউন্ড পরে বন্ধ হয়ে যায় লিগ। সেই এক রাউন্ডে রাজ্জাক খেলেছিলেন মোহামেডানের হয়ে। প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পর বয়োবাবলের মধ্যে শুরু হয়েছে লিগটি। অবসরে না গেলে রাজ্জাককে নিঃসন্দেহে ২২ গজে দেখা যেত।

[৬] আক্ষেপ না থাকলেও রাজ্জাক বলেছেন, খেলতে পারলে ভালো লাগতো। টেনে এনেছেন মোহামেডানের গল্পও। রাজ্জাক বলেন, আমি সর্বশেষ মোহামেডানে খেলছিলাম। আবাহনী-মোহামেডানে আসলে সবাই খেলতেই চায়; সেদিক থেকে মনে হয়েছে কয়েকবার, খেলতে পারলে খুব ভালো হতো। কিন্তু আমার কোনো আক্ষেপ নেই। আমি ক্রিকেটার। সারাজীবন খেলতে পারলে ভালো হবে এরকমটাও ভাবনায় আসে ।

[৭] একই গল্প শাহরিয়ার নাফিসেরও। গত বছর লিগ খেলতে পারেননি। এর আগের বছর খেলেছিলেন প্রাইম ব্যাংকের হয়ে। ক্রিকেটার থেকে ক্রিকেট বোর্ডের অপারেশন্সে দায়িত্ব পাওয়া নাফিস জানালেন তার কোনো আক্ষেপ নেই, বরঞ্চ খেলা শুরু হওয়ায় তিনি খুশি। এর একটা ব্যাখ্যাও দিয়েছেন তিনি।

[৮] আমি যখন অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছি তখন এটা আমি চিন্তা ভাবনা করেই নিয়েছি। এটা নিয়ে আমার কোনো আক্ষেপ নেই। আর খেলার পরবর্তী ক্যারিয়ারের বিষয়টি চিন্তা করেইতো অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমার কোনো খারাপও লাগছে না কারণ আমি বুঝে শুনে সিদ্ধান্তটা নিয়েছে। এটা নিয়ে আমার কোনো আক্ষেপ নেই বরং আমি খুশি খেলা মাঠে গড়াচ্ছে।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত