প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে মিলে অ্যাঙ্গেলা মের্কেলের ওপর গুপ্তচরবৃত্তি চালিয়েছে ডেনমার্কের গোয়েন্দা সংস্থা

লিহান লিমা: [২]যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থা (এনএসএ) ডেনমার্কের বিদেশী গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে মিলে জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মের্কেলের ওপর গুপ্তচরবৃত্তি করেছে বলে জানিয়েছে একটি ডেনিশ ব্রডকাস্টার। ইউরোনিউজ

[৩] গণমাধ্যমটি জানায়, বিষয়টি অবগত হওয়ার পর ডেনমার্কের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থা দেশটির গোয়েন্দা বিভাগে এনএসএ’র ভূমিকা নিয়ে তদন্ত করে। তদন্তের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকা ৯জন কর্মকর্তা জানান, ২০১২ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত করা ওই তদন্তে দেখা গিয়েছে, এনএসএ সুইডেন, নরওয়ে, ফ্রান্স ও জার্মানির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের ওপর নজরদারী করতে ডেনিশ ইনফরমেশন ক্যাবল ব্যবহার করেছিলো। ওই কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন জার্মানির সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্রাঙ্ক ওয়াল্টার স্টেইনমিয়ার ও জার্মানির সাবেক বিরোধী দলিয় নেতা পিয়ার স্টেইনব্রেক।

[৪]যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র দেশ ডেনমার্ক সুইডেন, নরওয়ে, জার্মানি, হল্যান্ড ও ব্রিটেনে ইন্টারনেট ক্যাবলগুলোর জন্য ল্যান্ডিং স্টেশন সরবরাহ করে।

[৫]স্টেইনমিয়ার বলেন, ‘জার্মানির সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ভালো এমন একটি দেশের গোয়েন্দা ইউনিটের এনএসএর সঙ্গে যোগসাজশ হতবাক করার মতো। এটা রাজনৈতিক কেলেঙ্কারি।’ সুইডেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিটার হাল্টকুইভিস্ট এ বিষয়ে পূর্ণ তদন্তের দাবী জানান। নরওয়ের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ফ্রাঙ্ক বেকে জেসেন বলেন, ‘এই অভিযোগ অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখতে হবে।’

[৬]বিষয়টি নিয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করে নি জার্মান প্রেসিডেন্ট ও চ্যান্সেলরের দপ্তর। তবে চ্যান্সেলরের অফিস থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি মের্কেলকে জানানো হয়েছে। ডেনমার্ক ও ওয়াশিংটনও বিষয়টি নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

[৭]নাইন-ইলেভেনের পর থেকেই এনএসএ সহ মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার ভূমিকা নিয়ে দেশে-বিদেশে বির্তক চলছে। অভিযোগ আছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা নিজ দেশের আইনও পরোয়া করে না। তাদের বিদেশি সহযোগীরাও আইন ও নিয়ন্ত্রণের ঊর্ধ্বে উঠে ব্যক্তি, রাজনীতিবিদ, কোম্পানি ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর বে-আইনি নজরদারীমূলক কার্যকলাপ চালাচ্ছে।

 

সর্বাধিক পঠিত