প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] “৯৯৯” এ কল পেয়ে পতিতাবৃত্তি চক্রের কবল থেকে দুই তরুণীকে উদ্ধার করলো পুলিশ

রাজু চৌধুরী -: [২] চট্টগ্রাম নগরের ডবলমুরিং থানা এলাকা থেকে পতিতাবৃত্তি চক্রের মক্ষীরানী ‘তানজিনা খালা’ নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

[৩] রোববার (৩০ মে ) ৯৯৯ এ এক ভিক্টিমের বাবা ফোন করলে ডবলমুরিং মডেল থানাধীন আগ্রাবাদ সিডিএ ২৭নং রোডের মুখে ক্যাপ্টেন এর বাড়ীর নীচ তলা থেকে তাদের উদ্ধার করে।ভিকটিম একজনের বাবা জানান, তিনি জানতেন মেয়ে গার্মেন্টসে চাকুরি করছে, কিন্তু পরে জানতে পারেন তাদের দিয়ে পতিতাবৃত্তি করায় তানজিনা ‘খালা’!

[৪] ডবলমুরিং থানার ওসি মোহাম্মদ মহসীন বলেন, চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করার অভিযোগে তানজিনা আক্তার (৩৫) কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এসময় ১৪ ও ১৯ বছর বয়সী দুই ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়েছে। একই সময় দুই খদ্দেরকেও আটক করা হয়। ওসি মহসীন বলেন, উদ্ধারকৃত ভিকটিমের বাবা জানান, তারা জানতেন তাদের মেয়ে গার্মেন্টসে চাকুরি করছে। কিন্তু তাদের মেয়েদের দিয়ে পতিতাবৃত্তি করাচ্ছিল এই তানজিনা খালা! তানজিনা আক্তার এলাকায় তানজিনা খালা নামে পরিচিত।

[৫] তিনি নিম্নবিত্ত পরিবারের মেয়েদের চাকুরি দেন বলে সবাই তাকে এই নামে ডাকে। কিন্তু আসলে তিনি কাউকেই চাকুরি দেন না। চাকুরির প্রলোভন দেখিয়ে প্রথমে তার বাসায় নিয়ে আসেন। এরপর তাদের বিক্রি করে দেন! এজন্য তার ৭ থেকে ৮ জনের একটি চক্রও আছে।

[৬] সেই চক্রে সেকান্দর মিয়া, তার দুই স্ত্রী মনোয়ারা বেগম ও সাথী বেগম এবং শারমিন বেগম নামে এক মহিলা আছে। মূলত সেকান্দারই ঘুরে ঘুরে এসব মেয়ে সংগ্রহ করে। এরপর চাকুরির নাম দিয়ে তানজিনার বাসায় এনে বিক্রি করে দেয়। গত ৩ মে এই একই কায়দায় এই দুইজনকে নিয়ে এসে বিক্রি করে দেয়। এরপর তাদেরকে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করে। তারা রাজি না হলে কিংবা অপারগতা প্রকাশ করলে তাদেরকে বেধড়ক মারধরও করা হয়। কৌশলে তাদের একজন তাদের বাবাকে ফোন দেয়।

[৭] পরে বাবা ৯৯৯ এ ফোন করলে তাদের উদ্ধার করা হয়। এই সময় বাকিরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় মানব পাচার আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং এই চক্রের পলাতক অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান ওসি মহসীন। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

সর্বাধিক পঠিত