প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] আইএমএফ’র ভবিষ্যতবাণী করা ১১ ডলার নয়, বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ভারতের চেয়ে এখন ২৮০ ডলার বেশি

আসিফুজ্জামান পৃথিল: [২] ২০২৫ সালে মাথাপিছু আয়ে ভারতকে ছাড়িয়ে যাবে বাংলাদেশ, আইএমএফ ২০২০ সালে একথা জানিয়েছিলো বলেছিলো, ২০২১ সালে বাংলাদেশের আয় ১১ ডলার বেশি হবে, কিন্তু হয়েছে ২৮০ ডলার।

[৩] আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৫ সালে মাথাপিছু আয়ে দিল্লি ঢাকার অনেক পেছনে পড়ে যাবে।

[৪] ২০২০ সালে প্রকাশ করা প্রতিবেদনে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল আইএফএফ বলেছিলো, ২০২১-এর ১১ ডলারের অগ্রগতি হবে অস্থায়ী। কিন্তু ২০২০-২১ অর্থবছরে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় যেখানে ২ হাজার ২২৭ ডলার। ২০১৯-২০ অর্থবছরে যা ছিলো ২০৬৪ ডলার। যেখানে সর্বশেষ তথ্য বলছে ভারতের মাথাপিছু আয় কমে হয়েছে ১ হাজার ৯৪৭ ডলার।

[৫] আইএমএফ এর ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক বলছিলো, ২০২০ ক্যালেন্ডার বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে মাথাপিছু আয় ছিলো ১ হাজার ৮৮৮ ডলার। আর ভারতের অর্থনীতি সাড়ে ১০ শতাংশ সংকুচিত হয়ে দাঁড়াবে ১ হাজার ৮৭৭ ডলারে। এরপর থেকেই ভারতের নীতিনির্ধারকরা বলে আসছিলেন, করোনার কারণে এই অবনমন কোনওভাবেই স্থায়ী হবে না। এটি অবশ্যই ফ্লুক।

[৬] চীন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার। দুই দেশের বার্ষিক আন্তঃবাণিজ্য আনুমানিক ১৫ বিলিয়ন ডলারের। আর ভারতের সঙ্গে এর পরিমাণের এক তৃতীয়াংশের সামান্য বেশি। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে অতি দ্রুত বর্ধনশীল রপ্তানি খাত।

[৭] অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, বাংলাদেশের পা পিছলানোর সুযোগ কম, কারণ বাংলাদেশ কমোডিটি উৎপাদন করে, আর ভারত চলে গেছে সার্ভিস সেক্টরে। আগামী কয়েক বছর যে খাতে খরা চলবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

[৮] অতিমারির কারণে সবার মতো বাংলাদেশের অর্থনীতিও ধাক্কা খেয়েছে। এক দশক পর প্রথমবারের মতো প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশের কম হয়েছে। তবে ভারতের মতো বাংলাদেশের অর্থনীতি কখনও নেতিবাচক ধারায় যায়নি। সম্পাদনা : মোহাম্মদ রকিব

সর্বাধিক পঠিত