প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] আপিল বিভাগে নিষ্পত্তিকৃত সম্পত্তির ৪ ভাগ সংখ্যালঘুরা ফেরত পেয়েছে

বিশ্বজিৎ দত্ত: [২] আপিল বিভাগে নিষ্পত্তির পরেও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের অর্পিত সম্পত্তি ফেরত দেয়া হচ্ছে না। আজ নাগরিক প্ল্যাটফর্ম আয়োজিত নারী ও সংখ্যালঘুদের ভূমির অধিকার বিষয়ক আলোচনায় এ বিষয়টি উঠে আসে। এএলআরডির নির্বাহী পরিচালক শামসুল হুদা তার কি নোট পেপারে দেখান ১৯৫১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ি পূর্ব পাকিস্তানে হিন্দুদের ভূমির পরিমাণ ছিল মোট ভূমির ২৮ শতাংশ। ২০১১ সালে এই ভূমির পরিমান কমে দাঁড়ায় ৮ শতাংশ। তিনি মনে করেন অর্পিত সম্পত্তি আইনের কারণেই সংখ্যালঘুদের জমি কমে গছে।

[৩] সেই সঙ্গে তিনি বলেন, সংখ্যালঘুদের স্থানীয়ভাবে অনেক সময় প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক ইন্ধনে বিভিন্ন ভয় ভীতি দেখিয়ে জমি থেকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, স্থানীয় মসজিদের মাইক ব্যবহার করে মানুষদের জরো করে সংখ্যালঘুদের উপর আক্রমন করা হয়েছে। কিন্তু আজ পর্যন্ত প্রশাসন মসজিদের মাইক ব্যবহারকারীর বিরুদ্ধে কোন মামলা করেনি। তিনি বলেন, অর্পিত সম্পতির অনেক জমি আপিল বিভাগে রায়ের পরেও স্থানীয় প্রশাসন তার মালিকের কাছে তা ফিরত দিচ্ছে না। এখন পর্যন্ত ফেরতের ভাগ মাত্র ৩ থেকে ৪ শতাংশ।

[৪] পরে এডভোকেট রাণা দাশগুপ্ত ও প্রবীর নিয়োগী বলেন, হিন্দুদের ২৬ লাখ একর জমি বেদখল হয়ে গেছে। বিচার বিভাগের একাংশ ও প্রশাসনের কারণে বিচার বিভাগের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হচ্ছে না। রাণা দাশগুপ্ত এর জন্য সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন ও সংখ্যালঘু কমিশন গঠনের প্রস্তাব করেন।

[৫] সঞ্চালক হিসাবে ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে কাজ করে এমন স্থানীয় কায়েমি স্বার্থও শক্তিশালি গোষ্ঠির বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা দরকার। একইসঙ্গে তিনি বলেন সাম্প্রতিক সংখ্যালঘুদের প্রতি বিদ্বেষমূলক মনোভাব গড়ে উঠেছে কিনা এ বিষয়টিও নতুন করে ভাবতে হবে। অনেক সময় মামলা দিয়েও সংখ্যালঘুদের হয়রানি করা হচ্ছে। সম্পাদনা: মেহেদী হাসান

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত