শিরোনাম

প্রকাশিত : ৩০ মে, ২০২১, ০৪:১৮ দুপুর
আপডেট : ৩০ মে, ২০২১, ০৪:১৮ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] বিকাশ প্রতারক চক্রের দুই সদস্য গ্রেপ্তার

সুজন কৈরী: [২] ময়মনসিংহ রেলওয়ে স্টেশন রোড জামে মসজিদ সংলগ্ন শামীর ষ্টোর নামক একটি বিকাশের দোকান থেকে প্রতারণার মাধ্যমে ২ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়া চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পিবিআই ময়মনসিংহ জেলা কার্যালয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- আ. ছাত্তার (৩৭) ও কমল মিস্ত্রী (৩২)। গত শুক্রবার রাতে রাজধানীর উত্তরা ৫নম্বর সেক্টর এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

[৩] রোববার পিবিআই জানিয়েছে, চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি রাতে শামছুল আলম খান (৪০) নামের একজন গ্রেপ্তার দুজনকে নিয়ে ময়মনসিংহ রেলওয়ে স্টেশন রোডের জামে মসজিদ ১নম্বর গেইটে অবস্থিত বিকাশের দোকান শামীর ষ্টোরে যান। পরে দোকানী শামীমকে টক্রটির দেওয়া এজেন্ট ও ব্যক্তিগত নম্বরে ২ লাখ টাকা পাঠাতে বলে। শামীম সরল বিশ্বাসে তাদের এজেন্ট নম্বরে ১ লাখ ৩৯ হাজার এবং ব্যক্তিগত দুটি নম্বরে ত্রিশ করে ষাট হাজার টাকা পাঠান।

[৪] টাকা পাঠানো শেষ হতে না হতেই প্রতারক চক্রের সদস্যরা কৌশলে দোকান থেকে চলে যায়। তারা যাওয়ার সময় বসে থাকা চেয়ারে শামছুল আলমের মানিব্যাগটি পড়ে যায়। মানি ব্যাগে তার এনআইডি, পাসপোর্ট আকারের ছবি, ভিজিটিং কার্ড, চাবি, কিছু টাকা ও একজন নারীর ছবি ছিলো।

[৫] বিকাশ দোকানদার চক্রের সদস্যদের না পেয়ে তাৎক্ষণিক টাকা পাঠানো এজেন্ট নম্বরে ফোন করে ঘটনার বিস্তারিত জানিয়ে টাকা দিতে নিষেধ করেন। বারবার নিষেধ করা সত্ত্বেও এজেন্ট নম্বরে টাকা গ্রহণকারী ছাত্তার প্রতারকদের টাকা দিয়ে দেন। শামীম বিকাশ অফিসে ফোন দিয়ে দ্রুত ব্যক্তিগত দুটি নম্বরের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়ে বিকাশ একাউন্ট দুটি বন্ধ করে দেন। সেই সঙ্গে ময়মনসিংহের কোতোয়ালী মডেল থানায় প্রথমে জিডি করেন।

[৬] পরে একই থানায় চক্রের তিন জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলাটি পিবিআই, ময়মনসিংহ জেলা স্বউদ্যোগে অধিগ্রহণ করে তদন্ত শুরু করে। এরই প্রেক্ষিতে চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।

[৭] এ বিষয়ে পিপিআই ময়মনসিংহ ইউনিটের ইনচার্জ এসপি গৌতম কুমার বিশ্বাস বলেন, এটি একটি চাঞ্চল্যকর বিকাশের মাধ্যমে প্রতারণার ঘটনা। মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব নিয়েই তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় আমরা দ্রুত প্রতারক চক্রের অবস্থান সনাক্ত করতে সক্ষম হই। প্রতারক চক্রের দুজন সদস্যকে গ্রেপ্তার করি। জিজ্ঞাসাবাদে ছাত্তার নিষেধ করা সত্ত্বেও প্রতারক চক্রের সদস্যদের টাকা দেয়ার কথা স্বীকার করে এবং কমল মিস্ত্রি টাকা উঠানোর কথা স্বীকার করেছে। গ্রেপ্তার দুজনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়