প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ভারতীয় ধরন ছড়িয়ে পড়ার শঙ্কা: কোয়ারেন্টিন ব্যবস্থাপনা দুর্বল, ট্রাক শ্রমিকদের অবাধ চলাচল

নিউজ ডেস্ক: করোনাভাইরাসের অতিসংক্রামক ভারতীয় ধরন সীমান্তবর্তী জেলা হয়ে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দিন দিন বেড়েই চলেছে। একদিকে ভারতফেরত যাত্রীদের জন্য কোয়ারেন্টিন ব্যবস্থাপনায় যেমন দুর্বলতা দেখা যাচ্ছে, সেই সঙ্গে স্থলবন্দরে আসা ভারতীয় ট্রাক শ্রমিকদের মাধ্যমেও প্রাণঘাতী ভাইরাসটি ছড়ানোর শঙ্কা বাড়ছে। পাশাপাশি সীমান্তে অবৈধভাবে চলাচলকারী লোকজনের মাধ্যমেও করোনার ভয়ংকর ধরনটি ছড়ানোর আশঙ্কা করছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, করোনার হটস্পটে পরিণত হওয়া চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২৫ মে থেকে শুরু হওয়া বিশেষ লকডাউনের চতুর্থ দিনে গত শুক্রবার সাতজনের শরীরে করোনার ভারতীয় ধরন শনাক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজন ভারতফেরত যাত্রী। বাকি পাঁচজন স্থানীয়ভাবে সংক্রমিত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সিভিল সার্জন ডা. জাহিদ নজরুল চৌধুরী জানান, গত শুক্রবার রাত ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১১৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৩৮ জনের পরীক্ষার ফল পজিটিভ পাওয়া গেছে। অর্থাৎ শনাক্তের হার প্রায় ৩৪ শতাংশ। জেলায় বর্তমানে হাসপাতাল, হোটেল ও বাসায় কোয়ারেন্টিনে আছে ১০৭ জন।

সোনামসজিদ স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা জাফর আলী জানিয়েছেন, গত দুই দিনে দুজন করে যাত্রী ভারত থেকে ফিরেছে। ১৯ মে থেকে এখন পর্যন্ত ৮২ জন পাসপোর্টধারী বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। সবাইকে উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে হোটেল কোয়ারেন্টিনে পাঠানো হয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে সংক্রমণের উল্লম্ফনের পেছনে দুর্বল কোয়ারেন্টিন ব্যবস্থাপনাকে দায়ী করছে স্থানীয়রা। তারা আরো বলছে, সোনামসজিদ স্থলবন্দরে প্রায় এক হাজার শ্রমিক কাজ করেন। তাঁদের সঙ্গে অবাধে মিশছেন ভারত থেকে আসা ট্রাকচালক ও তাঁদের সহকারীরা। প্রতিদিন প্রায় ৪০০ ট্রাক শ্রমিক ভারত থেকে আসেন। আবার স্থানীয় শ্রমিকরা লোকালয়ে অবাধে চলাফেরা করেন। ফলে দ্রুত ভাইরাস ছড়িয়ে থাকতে পারে।

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জে চলমান লকডাউনে জনসাধারণের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। সেখানকার শত শত মানুষ বিধি-নিষেধ উপেক্ষা করে বাস-ট্রাক, মাইক্রোবাস বা প্রাইভেট কারে করে ঢাকাসহ সারা দেশে যাতায়াত করছে।

রাজশাহী বাসস্ট্যান্ডে শুক্রবার রাত ৯টার দিকে কয়েক শ যাত্রীর ভিড় দেখা যায়, যারা চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাসিন্দা। তারা বিভিন্ন পথে রাজশাহী শহরে এসে হাজির হয়েছিল। এরপর বাসে চড়ে তারা গন্তব্যে রওনা হয়।

রাজশাহীর শিরোইল বাসস্ট্যান্ডে কথা হয় চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাসিন্দা আবুল হাসানের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘ঢাকায় একটি বেসরকারি কম্পানিতে চাকরি করি। ঈদের পরে ছুটিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাড়িতে বেড়াতে গেছিলাম। কিন্তু লকডাউনে পড়ে আটকে যাই। শেষে মোটরাসাইকেলে চড়ে গ্রামের মধ্য দিয়ে গোদাগাড়ীতে আসি। এরপর অটোরিকশাতে চড়ে রাজশাহী এসে ঢাকায় যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছি।’

আরেক যাত্রী মাজেদুল ইসলাম বলেন, ‘পরিবারের কয়েকজন মিলে একটি মাইক্রোবাস ভাড়া করে রাজশাহী থেকে ঢাকায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এর আগে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ভ্যানে করে গোদাগাড়ীতে আসি। এরপর অটোরিকশাতে করে রাজশাহী শহরে আসি।’

রাজশাহী বিভাগীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তা হাবিবুল্লাহ তালুকদার বলেন, ‘চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে অসংখ্য মানুষ দেশের বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াত করছে। বিশেষ করে পার্শ্ববর্তী জেলা রাজশাহীতে তাদের অবাধ বিচরণ ঘটেছে এই কয়েক দিনে। এ কারণে আমরা রাজশাহীকেও লকডাউনের আওতায় আনার সুপারিশ করেছি।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি জানান, দেশের বিভিন্ন স্থানে কোয়ারেন্টিন ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা দেখা গেলেও ভিন্ন চিত্রের খবর মিলেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। ঈদের আগে সেখানে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিনে থাকা লোকজনকে আশপাশের বাজারে চলাফেরা করতে দেখা যায়। তবে এখন কড়া পুলিশ পাহারায় কোয়ারেন্টিন ব্যবস্থা কার্যকর করা হয়েছে।

শিশু-কিশোরদের সংগঠন খেলাঘর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাধারণ সম্পাদক নীহার রঞ্জন সরকার নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানাতে গিয়ে গতকাল বলেন, ‘গাজীপুরের আমার এক পরিচিতজন ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে কোয়ারেন্টিন করে গেছেন। আমি একদিন দেখা করতে গিয়ে দেখি তাঁদেরকে একপ্রকার বন্দিদশার মতো করেই রাখা হয়েছে। বাইরে পুলিশ পাহারা বসিয়ে রেখে গেট আটকানো ছিল। আমি দূর থেকেই তাঁর সঙ্গে দেখা করি।’

এদিকে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশি যাত্রী আসা অব্যাহত আছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত শুক্রবার এসেছে ৩৪ জন। ২৬ এপ্রিল থেকে আসা মোট যাত্রীর সংখ্যা এক হাজার ১৪৬ জন।

দিনাজপুর প্রতিনিধি জানান, সোনামসজিদের মতো হিলি স্থলবন্দরেও ভারতীয় ট্রাক শ্রমিকরা অবাধে চলাচল করছেন। ট্রাকচালক ও তাঁদের সহকারীদের করোনা পরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়নি সীমান্তের কোনো পারেই।

ভারতের সঙ্গে দিনাজপুরের সাতটি উপজেলার সীমান্ত আছে। ১৯ এপ্রিল থেকে গতকাল পর্যন্ত হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে আসা যাত্রীর সংখ্যা ১২৫। তাদের মধ্যে তিনজনের শরীরে করোনা ধরা পড়েছে। তাদের দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। এ ছাড়া অন্য যাত্রীদের হাকিমপুর, ঘোড়াঘাট, বিরামপুর ও ফুলবাড়ী উপজেলায় কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে।

যশোর ও বেনাপোল প্রতিনিধি জানান, গত ১৪ মে থেকে গতকাল পর্যন্ত বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে এসেছে চার হাজার ৬৩৩ জন। তাদের মধ্যে ১১ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। ভারতীয় ধরন পাওয়া গেছে আটজনের শরীরে।

বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে প্রতিদিন ভারত থেকে ৩৭০ থেকে ৪০০টি ট্রাক প্রবেশ করে। ট্রাকগুলো স্প্রে করে জীবাণু নাশ করার কথা থাকলেও বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই মানা হয় না। ট্রাকের চালক ও সহকারীদের বেশির ভাগের মুখে মাস্ক দেখা যায় না। তাঁরা এসে স্থানীয় শ্রমিকদের সঙ্গে মেলামেশা করেন। সে ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি মানার কোনো প্রবণতা দেখা যায় না। বর্তমানে বেনাপোলে প্রায় দুই হাজার স্থানীয় শ্রমিক কর্মরত আছেন। তাঁদের মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকার মানুষ সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা আছে।

লালমনিরহাট প্রতিনিধি জানান, সম্প্রতি লালমনিরহাটের বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে দেশে আসা আটজনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে তিনজন ভারতের একটি আবাসিক স্কুলের শিক্ষার্থী। আক্রান্তদের ভাইরাসের ধরন জানতে নমুনা পাঠানো হয়েছে আইইডিসিআরে। বর্তমানে জেলার বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে নিজ খরচে কোয়ারেন্টিনে আছে ৯৪ জন।

বুড়িমারী স্থলবন্দর সূত্র জানায়, গত ২৬ এপ্রিল থেকে গতকাল পর্যন্ত দেশে এসেছে ৩২৮ জন। যাদের মধ্যে বর্তমানে পাটগ্রাম ও লালমনিরহাটের বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে কোয়ারেন্টিনে আছে ৯৪ জন।

বুড়িমারী দিয়ে দেশে ফিরে বাধ্য হয়ে এসব মানুষ কোয়ারেন্টিনে থাকছে ঠিকই, কিন্তু হোটেল কক্ষ থেকে তাদের অনেকেই একাধিকবার বের হচ্ছে বাইরে। বাইরে এসে তারা নিজেরাই খাবার কিনে নিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি নানা প্রয়োজন মেটাচ্ছে নিজেরাই। কারণ তাদের খাবার বা জরুরি জিনিস সরবরাহের মতো সুবিধা দেওয়া হচ্ছে না। বুড়িমারীর একটি আবাসিক হোটেলে কোয়ারেন্টিনে থাকা একাধিক ব্যক্তি নাম প্রকাশ না করে জানায়, তাদের নিজ খরচে কোয়ারেন্টিনে থাকতে হচ্ছে। নিজেদের খাবার আনতে বা অন্য কোনো প্রয়োজনে তাদের বাইরে বের হতে হচ্ছে।

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি জানান, জেলায় আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে করোনা সংক্রমণের হার। রোগীর বাড়তি চাপ ও হাসপাতালে করোনা বেড না থাকায় সাতক্ষীরা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নতুন করে করোনা রোগী ভর্তি করা হচ্ছে না।

সাতক্ষীরা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. কুদরত-ই-খোদা জানান, মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে করোনা রোগীর জন্য ৯০টি শয্যা আছে। গত সপ্তাহে ১০০ জনের বেশি রোগী ছিল। গতকাল পর্যন্ত ৪৯ জন রোগী আছে। বাকিরা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে। আটটি আইসিইউ বেডের মধ্যে চারটিতে করোনা পজিটিভ রোগী ভর্তি আছে।

ভোমরা স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি ব্যাবসায়িক সংগঠনের সভাপতি আরাফাত হোসেন জানান, ভারত থেকে মালামাল নিয়ে ট্রাকচালক, হেলপার, খালাসি আসছেন। ১৩৮ কিলোমিটার সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন অবৈধ পথে অনেকেই বাংলাদেশে আসা-যাওয়া করছে। সাতক্ষীরাকে নিরাপদ রাখতে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি জানান, ভারতে আটকে পড়া পাসপোর্টধারী বাংলাদেশি নাগরিকরা এনওসি নিয়ে গত ১৭ মে থেকে চুয়াডাঙ্গার দর্শনা শুল্ক পয়েন্ট দিয়ে দেশে ফিরছে। চুয়াডাঙ্গায় কোয়ারেন্টিনের জন্য স্থান সংকুলান না হওয়ায় ফেরত আসা বাংলাদেশি নাগরিকদের পাঠানো হচ্ছে পাশের জেলা মেহেরপুর, ঝিনাইদহ ও কুষ্টিয়ায়।

সীমান্ত অতিক্রম করে আসা পাসপোর্টধারী বাংলাদেশিদের দর্শনা সীমান্তেই করোনা পরীক্ষা করা হচ্ছে। এরপর বিজিবি, ইমিগ্রেশন ও চেকপোস্টের প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করে কোয়ারেন্টিনের জন্য মাইক্রোবাসযোগে যাত্রীদের পাঠানো হচ্ছে কোয়ারেন্টিন সেন্টারে। কেউ অসুস্থ থাকলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হচ্ছে। চুয়াডাঙ্গা জেলায় স্থান সংকুলান না হওয়ায় প্রায় অর্ধেক যাত্রীকে পাঠানো হয়েছে মেহেরপুর, ঝিনাইদহ ও কুষ্টিয়া জেলায়। পুরো এই কর্মযজ্ঞের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকছেন বিজিবি, ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা-কর্মচারী, চিকিৎসক, স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মী, পরিবহন চালক ও শ্রমিক এবং কোয়ারেন্টিনে খাবার সরবরাহকারীরা। যাদের পাশের অন্য তিন জেলায় পাঠানো হচ্ছে তাদের সঙ্গেও সম্পৃক্ত থাকতে হচ্ছে এই সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের।

গত ১৭ মে থেকে গত শুক্রবার পর্যন্ত মোট যাত্রী এসেছে ৭০৬ জন। চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাবিবুর রহমান জানান, ভারতফেরত ৭০৬ জনের মধ্যে ৪১৫ জনকে রাখা হয়েছে চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন কোয়ারেন্টিন সেন্টারে; অসুস্থদের চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে। বাকি যাত্রীদের মধ্যে কুষ্টিয়ায় ১৪৭, মেহেরপুরে ৯৪ ও ঝিনাইদহে ৩৮ জনকে কোয়ারেন্টিনের জন্য পাঠানো হয়েছে।

মেহেরপুর প্রতিনিধি জানান, চুয়াডাঙ্গার দর্শনা চেকপোস্ট দিয়ে আসা ভারতফেরত যাত্রীদের মধ্যে ৯৪ জনকে মেহেরপুরের দুটি প্রতিষ্ঠানে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে মেহেরপুর যুব উন্নয়ন ভবনের ডরমিটরিতে আছে ৪২ জন; আর কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ডরমিটরিতে রয়েছে ৫২ জন।

মেহেরপুরের জেলা প্রশাসনের এনডিসি রাকিবুল ইসলাম বলেন, ‘সরকারি নির্দেশনায় কোয়ারেন্টিন নিবাসীদের নিজ খরচে খাবার দেওয়া হচ্ছে। আমরা খাবারের গুণগত মান যেন বজায় থাকে সে ব্যাপারে মনিটরিং করছি। আনুমানিক জনপ্রতি ১৪ দিনের জন্য পাঁচ হাজার টাকা খরচ হতে পারে। এ ছাড়া অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচ জেলা প্রশাসন থেকে করা হচ্ছে। ১৪ দিন শেষ হলে প্রত্যেকের করোনা টেস্ট করানো হবে। নেগেটিভ হলে তাদের কোয়ারেন্টিন থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে।’ – কালের কণ্ঠ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত