প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

হুমায়ুন ফরিদীর ৬৯তম জন্মদিন আজ

অনলাইন ডেস্ক: হুমায়ুন ফরিদী মঞ্চ, টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য খ্যাতি অর্জন করেন। তাকে বাংলা চলচ্চিত্রের এক কিংবদন্তি অভিনেতা হিসেবে বিভিন্ন মাধ্যমে উল্লেখ করা হয়। অভিনয়ের জন্য তিনি ২০১৮ সালে একুশে পদক (মরণোত্তর) লাভ করেন।

হুমায়ুন ফরিদী ১৯৫২ সালে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৬৫ সালে বাবার চাকরির সুবাদে মাদারীপুরের ইউনাইটেড ইসলামিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। এসময় মাদারীপুর থেকেই নাট্যজগতে প্রবেশ করেন এবং শিল্পী নাট্যগোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত হন। এই গোষ্ঠীর পরিবেশনা ‘ত্রিরত্ন’ নাটকে ‘রত্ন’ চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে তিনি সর্বপ্রথম দর্শকদের সামনে আত্মপ্রকাশ করেন। এরপর ‘টাকা আনা পাই’, ‘দায়ী কে’, ‘সমাপ্তি’, ‘অবিচার’সহ ছয়টি মঞ্চনাটকে অংশ নেন।

১৯৬৮ সালে তিনি চাঁদপুর সরকারি কলেজে ভর্তি হন। উচ্চ মাধ্যমিক শেষে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জৈব-রসায়ন বিভাগে ভর্তি হন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। দেশ স্বাধীন হলে তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতি বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৭৬ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে তিনি ঢাকা থিয়েটারে যোগ দেন। তিনি মঞ্চনাটকে অভিনয় ও মঞ্চনাটককে প্রসারিত করার লক্ষ্যে গড়ে তোলেন নাটককেন্দ্রিক বিভিন্ন সংগঠন। তার অভিনীত মঞ্চনাটকের মধ্যে শকুন্তলা, কির্তনখোলা, কেরামত মঙ্গল, মুনতাসীর ফ্যান্টাসি প্রভৃতি অন্যতম। টেলিভিশন নাটকেও তিনি খ্যাতি লাভ করেন। হুমায়ুন ফরিদীর অভিষেক ঘটে ‘নিখোঁজ সংবাদ’ নাটকের মধ্য দিয়ে। সংশপ্তক নাটকের ‘কানকাটা রমজান’ চরিত্রটি ফরিদীকে বাংলা নাট্যামোদি দর্শকের কাছে ব্যাপক পরিচিতি এনে দেয়। হুমায়ুন ফরিদী শৈল্পিক ও বাণিজ্যিক ধারার চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। তিনি মোট ৩৫টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। ‘মাতৃত্ব’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি ২০০৪ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগে অতিথি শিক্ষক হিসেবে অভিনয় বিষয়ে কিছুদিন পাঠদান করেন। ২০১২ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত