শিরোনাম
◈ এক ম্যাচ হাতে রেখেই জিম্বাবুয়ের কা‌ছে ওয়ান‌ডে সি‌রিজ হার‌লো বাংলা‌দেশ ◈ একটি খাবারের অর্ডারেই ধরা পড়লেন লন্ডন কাঁপানো ব্রিটিশ-বাংলাদেশি হ্যাকার, কোটি কোটি টাকার ক্রিপ্টো লেনদেন! ◈ জ্বালানি নিরাপত্তায় নতুন রূপরেখা, অনুমোদন পেল নবায়নযোগ্য জ্বালানি কৌশল ◈ শোকযাত্রা শেষে ইমাম রেজার মাজারে চিরনিদ্রায় খামেনি ◈ রেকর্ড গরমে ইউরোপে মৃত্যুমিছিল, জার্মানিতে ৫ হাজারের বেশি প্রাণহানি ◈ ন্যাটো নেতাদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র হিসেবে রিভলবার ও ৫০০ গুলি তুলে দিলেন এরদোয়ান, তৈরি হলো বিতর্ক ◈ মাদকে ভেজাল নেই, কিন্তু খাদ্যে ভেজাল, বলেছেন সংসদে জামায়াতের নারী এমপি ◈ পাহাড়ধস ঝুঁকিতে থাকা পরিবারকে নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসন করে বাড়ি নির্মাণ করবে সরকার ◈ প্রশাসনে বড় পদোন্নতি, যুগ্মসচিব হলেন ১৭৯ কর্মকর্তা ◈ ২০২৮ সালের মধ্যে ভয়াবহ গ্যাস সংকটের শঙ্কা, বন্ধ হতে পারে শত শত শিল্পকারখানা

প্রকাশিত : ২৮ মে, ২০২১, ০৫:১৪ বিকাল
আপডেট : ২৮ মে, ২০২১, ০৫:১৪ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] তেলের মূল্য বৃদ্ধি নয়, ভ্যাট প্রত্যাহার দাবি বাম জোটের

মনিরুল ইসলাম: [২] তেলের মূল্য বৃদ্ধি নয়, ভ্যাট প্রত্যাহার দাবি জানিয়েছে বাম জোট।

[৩] শুক্রবার এক বিবৃতিতে সয়াবিন তেলের মূল্য বৃদ্ধিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন জোটের নেতৃবৃন্দ।

[৪] তারা বলেন, এমনিতেই দেড় বছর ধরে করোনা মহামারিতে মানুষ কর্মহীন হয়েছে, মানুষের আয় কমেছে, তার ওপর তেল, চাল, ডাল, পিয়াজসহ দ্রব্যমূল্যের ক্রমবর্ধমান বৃদ্ধি জনজীবনকে দুর্বিসহ করে তুলেছে।

[৫] বিবৃতিতে বলা হয়, রোজার মধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতি ছাড়াই ব্যবসায়ীরা একবার সয়াবিন তেলের দাম ৫ টাকা বৃদ্ধি করে পরে ৩ টাকা কমিয়েছিল। এখন আবার আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধির কথা বলে পুনরায় ব্যবসায়ীরা লিটার প্রতি ১৩ টাকা দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করলে সরকার ৯ টাকা বৃদ্ধির অনুমোদন দিয়েছে। ফলে এখন এক লিটার বোতলজাত তেল ১৫৩ টাকায় কিনতে হবে। এবার নিয়ে গত অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত সয়াবিন তেলের লিটার প্রতি ৪৫ টাকা দাম বাড়ানো হলো। নতুন করে তেলের দাম বৃদ্ধি কর্মহীন-আয়হীন শ্রমজীবী দরিদ্র জনগণকে সীমাহীন দুর্ভোগে ফেলে দেবে।

[৬] নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, এক লিটার তেলে ২০ টাকার ওপর ভ্যাট নেয় সরকার। ফলে করোনা দুর্যোগে সরকারের ভ্যাট প্রত্যাহার করলে সয়াবিন তেলের দাম বাড়িয়ে জনগণকে দুর্ভোগ কমবে।

[৭] বিবৃতিতে তেল, চাল, ডাল, পিঁয়াজসহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম নিয়ন্ত্রণ করে মানুষের ক্রয় ক্ষমতার আওতায় রাখা, বাজার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং গ্রাম শহরের শ্রমজীবী, নিম্নবিত্ত-মধ্যবিত্ত মানুষের জন্য আর্মি রেটে রেশনিং ব্যবস্থা চালুর দাবি জানানো হয়।

[৮] বিবৃতিদাতারা হলেন বাম জোটের সমন্বয়ক বজলুর রশীদ ফিরোজ, সিপিবি সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহ আলম, বাসদ সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক প্রমুখ।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়