প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] রাজশাহীর আম বাজারে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাব

আবু হাসাদ : [২] ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের কারণে গত দুদিন যাবত রাজশাহী অঞ্চল মেঘাচ্ছন্ন। মাঝে মধ্যে হালকা বৃষ্টির সাথে হালকা ঝড় হাওয়া প্রবাহিত হচ্ছে। আর এর প্রভাব পড়েছে আম বাগান ও বাজার গুলোতে।

[৩] স্থানীয় বাগান মালিক ও ব্যবসায়িরা বলছেন, বৃষ্টি ও হাওয়ার কারণে বড় গাছ গুলো থেকে আম নামাতে শ্রমিকদের ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যার কারণে আড়ৎ গুলোতে চাহিদা মোতাবেক আম আসছে না।

[৪] বৃহস্পতিবার (২৭ মে) সকাল সাড়ে ১১ টার সময় জেলার বৃহৎ আমের বাজার বানেশ্বর হাট ঘুরে দেখা গেছে, গত কয়েক দিনের তুলনায় অনেক কম আম আনা হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রশাসনের নিদের্শনা মোতাবেক সকল প্রকার গুটি আম বেচা কেনা চলছে পুরোদমে। সেই সাথে ২৫ মে থেকে গোপাল ভোগ ও রাণী পছন্দ আম বাজারে আসছে।

[৫] তবে গত দুই দিন থেকে বাজারে চাহিদা অনুসারে পরিমানে অনেক কম। আর ২৮ মে শুক্রবার থেকে আসবে হিমসাগর বা ক্ষিরসাপাত।

[৬] উপজেলার ভালুকগাছি নওদাপাড়া গ্রাম থেকে আম বিক্রি করতে আসা তাহের আলী বলেন, দূর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় গুড়িগুড়ি বৃষ্টিতে গাছ ভিজা থাকে। তার উপর মাঝে মধ্যে জোরে বাতাস বৈইছে। এই কারণে গত দুই দিন থেকে ঝুঁকি নিয়ে শ্রমিকরা বড় গাছে উঠতে চাচ্ছেন না। ছোট গাছ ও নিচে থেকে যদ্দুর আম নামাতে পেরেছি তাই বেচতে নিয়ে আসলাম।
পাবনা জেলা থেকে আগত আম ব্যবসায়ি সাইফুল ইসলাম বলেন, গতকাল আম বাজারে বিক্রেতা থেকে ক্রেতার সংখ্যা অনেক বেশি ছিল। তবে আশা করছি আজ গত কালের চেয়ে বেশী আম আসবে।

[৭] বানেশ্বর বাজারের আম আড়ৎদার শাহীনুর রহমান বলেন, বিগত বছরের তুলনায় এ বছর এখনো পুরোদমে বাজার জমে উঠেনি। তার মধ্যে দূর্যোগপূণ আবহাওয়ার কারণে বাগান মালিকরা আম কম ভাংছেন। তবে প্রশাসনিক নির্দেশনা মোতাবেক আগামিকাল থেকে ক্ষিরসাপাত আম আসা শুরু করবে। তখন বাজার আরো জমে উঠবে।

[৮] বানেশ্বর বাজার হাট ইজারদার ওসমান আলী বলেন, জেলার মধ্যে সব চেয়ে বড় আমের মোকাম এই বাজারে। এরপর বিড়ালদহ শিবপুরহাট এলাকার আড়ৎ গুলোতে আম কেনা বেচা হয়। আম মৌসুমে আড়ৎ গুলোতে প্রায় দুই হাজার শ্রমিক কাজ করেন। তবে গত দুই দিনের আবহাওয়ার কারণে বাজারে আম কম আসায় তাদেরও তেমন কাজ নেই।

সর্বাধিক পঠিত