প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] টিকা নেওয়ার কারণে তৈরি করোনার প্রতিরোধক্ষমতা অন্তত এক বছর স্থায়ী হয়, থাকতে পারে আজীবন

আসিফুজ্জামান পৃথিল: [২] আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হওয়াদের বুস্টার ডোজ প্রয়োজন নেই, এক ডোজই যথেষ্ঠ: গবেষণা।

[৩] যেসব ব্যক্তি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হয়েছেন, যাদের বোন ম্যারোতে গুরুত্বপূর্ণ রোগ প্রতিরোধী কোষ পাওয়া গেছে। দুটি ভিন্ন গবেষণা বলছে, টিকা কোভিড-১৯ প্রতিরোধী ক্ষমতাকে অনেক বেশি বাড়িয়ে তুলতে সক্ষম। একসময় মনে করা হচ্ছিলো, টিকা থেকে পাওয়া প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক কম স্থায়ী। নিউ ইয়র্ক টাইমস

[৪] করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পরেও যাদের দেহে প্রতিরোধ সক্ষমতা গড়ে ওঠেনি, সেই ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী রোগটিতে আবারও আক্রান্ত হতে পারেন। উভয় গবেষণা প্রতিবেদনেই ওইসব মানুষের ওপর পরীক্ষা চালানো হয়েছে যারা এক বছর আগে করোনাভাইরাসের সংস্পর্শে এসেছিলেন। এই ভাইরাসকে চিনতে শেখা কোষগুলো বোন ম্যারোতে থাকে এবং যখন দরকার তখনই অ্যান্টিবডি সৃষ্টি করতে পারে। ন্যাচার

[৫] দেহে প্রাথমিক সংক্রমণের পর মেমোরি বি নামের কোষগুলো করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে অন্তত ১২ মাস পর্যন্ত পরিপক্ক ও শক্তিশালী হতে থাকে। ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভ্যানিয়ার ইমিউনোলজিস্ট স্কট হেনসলে বলেন, ‘সার্স-কোভ-২ এর সংক্রমণে অথবা টিকা নেওয়ার কারণে এর বিরুদ্ধে দেহে যে প্রতিরোধ সক্ষমতা গড়ে ওঠে তা দীর্ঘস্থায়ী হয়। সাম্প্রতিক গবেষণাগুলোর এমন ফলাফলের সঙ্গে এই গবেষণাগুলোর ফলাফলও সঙ্গতিপূর্ণ। আমরা বারবার সাধারণ করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হই, কারণ প্রতিরোধ সক্ষমতা নয় বরং আমাদের জীবনকালজুড়ে এসব ভাইরাস বিবর্তিত হতে থাকে।’

[৬] শুধু টিকা নেওয়ার মাধ্যমে প্রতিরোধ সক্ষমতা তৈরি হয়েছে যাদের দেহে, তাদের ক্ষেত্রে হয়তো ফলাফল একই হবে না। প্রতিরোধকারী স্মৃতিটি স্বাভাবিক সংক্রমণের তুলনায় টিকাগ্রহণের পর আলাদাভাবে সংগঠিত হয়। অর্থাৎ যারা কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হননি এবং টিকা গ্রহণ করেছেন, তাদের সম্ভবত আরেকটি বুস্টার ডোজ নিতে হতে পারে।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত