প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

র‍্যাঙ্কিংয়ের দুইয়ে আসবেন চিন্তাও করেননি মিরাজ

স্পোর্টস ডেস্ক : শ্রীলঙ্কায় দুই টেস্টের সিরিজটা ভালো কাটেনি মেহেদী হাসান মিরাজের। দুই টেস্টে মাত্র ৪টি উইকেট পেয়েছিলেন বাংলাদেশের স্পিনিং অলরাউন্ডার। ভালো কাটেনি তাঁর নিউজিল্যান্ড সফরে ওয়ানডে সিরিজেও। তিন ম্যাচে ছিলেন উইকেটশূন্য। তবে ঘরের মাঠে ম্যাচ হলেই মিরাজ দেখা দেন অন্য রূপে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জানুয়ারিতে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে নিয়েছেন ৭ উইকেট। আর এখন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম দুই ওয়ানডেতে ৭ উইকেট। প্রথম আলো

ঘরের মাঠে ভালো করার পুরস্কারও পেয়েছেন মিরাজ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঘরের মাঠের ওয়ানডে সিরিজের সাফল্য মিরাজকে নিয়ে এসেছিল আইসিসির বোলারদের ওয়ানডে র‍্যাঙ্কিংয়ের পাঁচ নম্বরে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৭ উইকেট পাওয়ার পর মিরাজ সর্বশেষ প্রকাশিত আইসিসির বোলারদের র‍্যাঙ্কিংয়ের দুইয়ে উঠেছেন।

সাকিব আল হাসান ও আবদুর রাজ্জাকের পর বাংলাদেশের তৃতীয় বোলার হিসেবে ওয়ানডে র‍্যাঙ্কিংয়ে সেরা দুইয়ে জায়গা করে নিয়েছেন এই স্পিনিং অলরাউন্ডার। এমন একটি অর্জনের পর দারুণ খুশি মিরাজ। তবে আন্তর্জাতিক অভিষেকে টেস্ট ক্রিকেট মাতানো মিরাজ কখনো ভাবেননি তিনি ওয়ানডে বোলারদের মধ্যে সেরা দুইয়ে উঠে আসবেন!

বিসিবির পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় মিরাজ আজ বলেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ! র‍্যাঙ্কিংয়ে দুই নম্বরে আসতে পেরে খুব ভালো লাগছে। আমি কখনো ভাবিনি ওয়ানডে ক্রিকেটের র‍্যাঙ্কিংয়ে দুই নম্বরে আসব।’

টেস্ট বোলার হিসেবে শুরু করা মিরাজ ওয়ানডে ক্রিকেটে সাফল্যের রহস্যও শোনালেন, ‘আমি যখন টেস্ট খেলা শুরু করেছিলাম, তখন কিন্তু আমি টেস্ট বোলারই ছিলাম। তবে আমার সব সংস্করণে সফল হওয়ার ইচ্ছা ছিল। ওয়ানডে ক্রিকেট শুরু করার সময় শুধু ভাবতাম, কীভাবে দলের জয়ে অবদান রাখা যায়।’

মিরাজ এরপর যোগ করেন, ‘আমার মনোযোগ ছিল কম রান দেওয়ায়। তাহলে আমার দলে থাকার সম্ভাবনা বাড়বে এবং অবস্থা অনুযায়ী যদি উইকেট নিতে পারি, তাহলে আমার জন্য ভালো হবে।’

এসব ছোট ছোট বিষয় নিয়ে কাজ করেই সাদা বলের ক্রিকেটে নিজের জায়গা পাকা করে নিয়েছেন মিরাজ। ২০১৭ সালে ওয়ানডে অভিষেকের পর দলে অনেকটাই অনিয়মিত ছিলেন তিনি। ২০১৮ সালের ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর থেকে দলে নিয়মিত হতে শুরু করেন। খেলেছেন গত বিশ্বকাপেও।

বিশ্বকাপে বিশেষ কোনো ব্যক্তিগত অর্জন না থাকলেও মিরাজ ইংল্যান্ডের ব্যাটিং–সহায়ক উইকেটে ভালো করায় পেয়েছেন আত্মবিশ্বাস, ‘বিশ্বকাপ অনেক বড় একটা মঞ্চ ছিল, যেখানে আমার আত্মবিশ্বাস অনেক বেড়েছে। সেখানে বিশ্বমানের ক্রিকেটাররা খেলেছে। উইকেটও অনেক ভালো থাকে। আমি মানসিকভাবে নিজেকে তৈরি করেছিলাম। উইকেট না পেলেও যেন আমি রান না দিই। সঙ্গে যেন এক–দুইটা উইকেট বের করতে পারি। আমি সেগুলো নিয়েই চিন্তা করেছিলাম।’

ব্যক্তিগত এই অর্জনের কৃতিত্ব সতীর্থদেরও দিয়েছেন ২৩ বছর বয়সী অলরাউন্ডার, ‘সবাই অনেক সমর্থন দিয়েছে, সবাই আমাকে অভিনন্দন জানিয়েছে। অনেক ভালো লাগছে। সতীর্থদের সমর্থন আমার জন্য অনেক বড় একটা পাওয়া।’

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত