প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] রিকশাচালক সেজে বাঁচতে চেয়েছিলেন জঙ্গি চান্দু

মাসুদ আলম: [২] মঙ্গলবার এন্টি টেররিজম ইউনিট কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার (এসপি মিডিয়া অ্যান্ড অ্যাওয়ারনেস) মোহাম্মদ আসলাম খান বলেন, সোমবার রাতে সাভারের গেন্ডা এলাকা থেকে রংপুরের কাউনিয়ায় খাদেম রহমত আলী হত্যার ঘটনায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আবদুর রহমান ওরফে চান্দু মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। আবদুর রহমানের বাড়ি রংপুরে। তিনি কুমিল্লাসহ ঢাকার আশপাশের বিভিন্ন জায়গায় ভিন্ন ভিন্ন নাম ব্যবহার করে বসবাস করতেন। রিকশা চালানো বা অন্য ছোটখাটো কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

[৩] তিনি আরও বলেন, আবদুর রহমান নিজে খাদেমকে কুপিয়েছেন। একটি মসজিদের ইমাম ছিলেন তিনি। আবদুর রহমান জেএমবির সক্রিয় সদস্য। এই হত্যাকাণ্ডের অর্থদাতা স্থানীয় ব্যক্তিরা ছিল।

[৪] এসপি বলেন, আবদুর রহমান জেএমবির ইসাবা গ্রুপের সক্রিয় সদস্য। খাদেম রহমত আলী সুরেশ্বরী তরিকা পালন করতেন। তার বাড়ির পাশে বাবা-মা’র কবরকে মাজার ঘোষণা করেন তিনি। রহমত আলী মাজার ও মসজিদ সংলগ্ন একটি দরবার শরিফ ঘর তৈরি করে প্রতি বৃহস্পতিবার সুরেশ্বরী তরিকা মোতাবেক অনুসারীদের নিয়ে জিকির করতেন। খাদেমের এসব কর্মকাণ্ড জেএমবি সদস্যদের নজরে আসে। তাদের দাবি, খাদেম একজন ভণ্ড পীর, শিরককারী এবং দ্বীন ইসলাম প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে তাকে হত্যা করা আবশ্যক। তাই তারা তাকে হত্যা করে।

[৫] তিনি আরও বলেন, রহমতের একটি ওষুধের দোকান ছিল। ২০১৫ সালের ১০ নভেম্বর রাতে বাজার থেকে বাসায় ফেরার পথে জেএমবি সদস্যরা তাকে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে ও জবাই করে হত্যা করে। ২০১৮ সালের মার্চে আদালত ৭ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে রায় ঘোষণা করেন। আব্দুর রহমান ছাড়া বাকি সবাই কারাগারে।

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত