প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ব্ল্যাক ফাঙ্গাস নিয়ে তেমন ভয়ের কিছু নেই, সবাই এতে আক্রান্ত হয় না: বিএসএমএমইউ উপাচার্য

শাহীন খন্দকার: [২] বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ আরো বলেন, এর নাম মিউকর মাইকোসিস। এই রোগ আগেও ছিল, এখনও আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। এটা নতুন কোন রোগ নয়। উপচার্য বলেন, শুধু মাত্র যাদের ব্লাড সুগার বা ডায়াবেটিস অনেক হাই, যাদের ক্যান্সারের মত জটিল রোগ আছে তাদের জন্য এটা ঝুঁকিপূর্ণ।

[৩] তিনি বলেন, যারা ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া নিজেরাই প্রায়শ:ই স্ট্যরয়েড নেয়, যার ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক কমে যায় শুধু মাত্র তাদেরই এই রোগ হতে পারে। সব করোনা আক্রান্ত রোগীদেরও এই রোগ হয় না। যারা করোনা আক্রান্ত হয়ে মুমূর্ষু অবস্থায় আছে, দীর্ঘদিন আইসিইউ তে আছে তাদের স্ট্যরয়েড নিতে হয় তাই তাদের এই রোগটি হওয়ার সম্ভাবনা আছে।

[৪] এছাড়া যেসব করোনা রোগী একই মাস্ক অনেকদিন ব্যবহার করে এবং অক্সিজেন সিলিন্ডারের মিটারের সাথে সংযুক্ত বোতলটিতে ময়লা পানি ব্যবহার করে তাদেরও এই রোগ হতে পারে। আবারও বলছি এই রোগ সবার হয় না তাই অহেতুক ভয়ের কোন কারণ নেই। মিউকর মাইকোসিস প্রথম নাকে, তারপর চোখে আর শেষে ব্রেনে সংক্রমণ ঘটায়।

[৫] ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, এই রোগের প্রাথমিক লক্ষণ সম্পর্কে চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, মুখের একপাশে ব্যথা, দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়া অথবা ‘ডাবল ভিশন’ এই রোগের লক্ষণ। এ ছাড়া নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, নাক দিয়ে কালো অথবা বাদামি রঙের জল পড়া এই রোগের লক্ষণ হতে পারে। এমনকি, ফুসফুস-সহ একাধিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংক্রমিত করতে পারে মিউকর মাইকোসিস।

[৬] এই রোগের লক্ষণ প্রকাশের সাথে সাথে ডাক্তারের চিকিৎসা নিলে ভাল হয়ে যায় অধিকাংশ রোগী। এছাড়া ভিটামিন সি, ডি, ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়া, সব সময় পরিষ্কার মাস্ক ব্যবহার, পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা, শারীরিক ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম সর্বোপরি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ালে এই রোগ কিছুই করতে পারে না। সম্পাদনা: মেহেদী হাসান

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত